Comments Box SVG iconsUsed for the like, share, comment, and reaction icons

"যুগে যুগে মুনাফিকরা থাকবে কিন্তু তাদের এই বৈশিষ্ট্য তাদের মাঝে থেকেই যাবে, এগুলো জেনে রাখা খুবই জরুরী যাতে এদেরকে আগে থেকেই চেনা যায়। যারা এই বৈশিষ্ট্যগুলো জানে না, তারা সহজেই তাদের কথায় প্রভাবিত হয়ে যেতে পারে। মনে করতে পারে তারা তো ভালো কথাই বলছে, আদতে সেগুলো শয়তানের ফাদ"

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

৬৩ নং সূরাহ | সূরাহ মুনাফিকূন
নাযিল : মাদীনাহ, আয়াত ১১ টি।

=> মিথ্যাবাদী মুনাফিক, মিথ্যাবাদী মুসলিম হতে পারে না
63:1 নং আয়াহ : যখন তারা আপনার কাছে আসে, তখন বলে- “আমরা সাক্ষী দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসূল”। আল্লাহ জানেন নিশ্চয়ই আপনি তার রাসূল। আর আল্লাহ সাক্ষী [58:6] দিচ্ছেন যে, “মুনাফিকরা [4:145] মহা মিথ্যাবাদী” [59:11]।

# মুনাফিক‌রা মিথ্যাবাদী। সুতরাং কোনও মুসলিম মিথ্যা বলতে পারে না। কেননা, মিথ্যা বলা মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য। সুবিধার জন্য দেখতে পারেন 68:35 আয়াহ। এছাড়াও মুনাফিকরা ফাসেকও [9:67] (ফাসেক হচ্ছে তারা যারা প্রকাশ্যভাবে বিভিন্ন হারামে, গুনাহে লিপ্ত থাকে)

=> মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য
63:2 নং আয়াহ : তারা তাদের শপথ গুলোকে ঢাল হিসাবে ব‍্যবহার [58:16, 58:18] করে। অতঃপর তারা মানুষ‌কে আল্লাহর পথে (আসতে/ চলতে) বাধা সৃষ্টি করে। নিশ্চয়ই তারা যা করছে, তা খুব‌ই নিকৃষ্ট কর্ম [58:16]।

=> কখন অন্তর সমূহে মোহর মারা হয়??
63:3 নং আয়াহ : ওটা এজন্য যে, তারা ঈমান আনার পর সত্য অস্বীকার করেছে। অতঃপর তাদের অন্তর সমূহের উপর মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে [16:106-108]। অত‌এব এজন্য তারা (সত্য) বুঝতে পারে না।

=> মুনাফিকদের আরও কিছু বৈশিষ্ট্য
63:4 নং আয়াহ : আর যখন আপনি তাদের দিকে তাকাবেন, তখন তাদের দেহের ভাবভঙ্গি আপনাকে মুগ্ধ করবে। যখন তারা কথা বলে, তখন আপনি তাদের কথা আগ্ৰহ নিয়ে শোনেন কিন্তু তারা আসলে দেওয়ালে ঠেক দেওয়া কাঠের টুকরা (১) তারা ভাবে প্রতিটি শব্দ তাদের বিরুদ্ধে (২) তারাই শত্রু। তাদের থেকে সতর্ক হোন। তাদের আল্লাহ ধ্বংস করবেন। তারা বিভ্রান্ত হয়ে কোথায় যাচ্ছে??
১. অর্থাৎ আপনি তাদের‌কে গুরুত্ব দিলেও তারা বাস্তবে কোনও কাজে আসবে না, তারা দেওয়ালে হেলাল দেওয়া কাঠের টুকরার মতো।
# তাদের‌কে এ জন্য‌ও “দেওয়ালে হেলান দেওয়া কাঠের টুকরা” বলা হচ্ছে- কেননা, তারা তাদের নিজস্ব বিচার বুদ্ধির ব‍্যবহার (8:22) করে না। অন্যের উপর নির্ভরশীল।
২. যেমন, আমরা শত্রুর মুখে উচ্চারিত কথাবার্তা‌কে নিজেদের বিরুদ্ধে আলোচিত মনে করি।

অন্যত্র তাফসীরে এসেছে- তুমি যখন তাদের দিকে তাকাও তখন তাদের শারীরিক গঠন (১) তোমাকে চমৎকৃত করে। আর যখন তারা কথা বলে তখন তুমি তাদের কথা আগ্রহ ভরে শুন(২), অথচ তারা দেয়ালে ঠেস দেয়া কাঠের মত (৩) (দেখন- সুরত, কিন্ত কার্যক্ষেত্রে কিছুই না)। কোন শোরগোল হলেই তারা সেটাকে নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে(৪) (কারণ তাদের অপরাধী মন সব সময়ে শঙ্কিত থাকে- এই বুঝি তাদের কুকীর্তি ফাঁস হয়ে গেল)। এরাই শত্রু, কাজেই তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাক। এদের উপর আছে আল্লাহর গযব, তাদেরকে কীভাবে (সত্য পথ থেকে) ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে! (সূরা মুনাফিকুন, আয়াত ৪, অনুবাদ -তাইসিরুল)

(১) অর্থাৎ, তাদের সৌন্দর্য, লাবণ্য, সজীবতার কারণে।
(২) অর্থাৎ, ভাষার বিশুদ্ধতা এবং বাকপটুতার কারণে।
(৩) অর্থাৎ, তারা তাদের দেহের উচ্চতা, সৌন্দর্য ও শ্রীতে এবং বোধহীনতা ও কল্যাণ স্বল্পতায় ঐরূপ, যেরূপ দেওয়ালে ঠেকানো কাঠ। দর্শককে তা দেখতে ভাল লাগে, কিন্তু কারো কোন উপকারে আসে না। অথবা এটা ‘মুবতাদা মাহযুফ’ (ঊহ্য উদ্দেশ্য) এর বিধেয়পদ। অর্থ হল, এরা রসূল (সাঃ)-এর মজলিসে ঐভাবে বসে, যেমন প্রাচীরে ঠেকানো কাঠ। এরা না কোন কথা শোনে, না বোঝে। (ফাতহুল ক্বাদীর)
(৪) অর্থাৎ, এরা এত ভীরু যে, কোন শোরগোল বা হট্টগোল শুনলেই মনে করে, তাদের উপর কোন বিপদ এসে পড়ছে। কিংবা এই ভেবে আতঙ্কিত হয়ে ওঠে যে, হয়তো তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। যেমন, চোর ও অপরাধীদের মন অভ্যন্তরীণভাবে সব সময় ধুক্পুক্ করতে থাকে। ‘চোরের মন পুলিশ পুলিশ!’ (তাফসীরে আহসানুল বায়ান)

উমর (রাঃ) বলেন-
إِنَّمَا أَخَافُ عَلَى هَذِهِ الْأُمَّةِ كُلَّ مُنَافِقٍ عَلِيمِ اللِّسَانِ
“আমি এই উম্মাহর জন্য সবচেয়ে বেশি ভয় করি—সেই মুনাফিককে, যে জিহ্বায় খুবই দক্ষ (বাকপটু)।”
(সুনান আদ-দারেমি: ১১০; মুসান্নাফ ইবন আবি শাইবা: ৩৪৪৮৯; মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক: ২০৭৬১)
ব্যাখ্যা:
مُنَافِق - অন্তরে কুফর, বাহিরে ইসলাম
عَلِيمِ اللِّسَان - কথায় পারদর্শী, মিষ্টি মিষ্টি কথা দিয়ে মানুষকে (দুর্বল ঈমানদারদের) প্রভাবিত করতে সক্ষম
উমর (রাঃ)-এর ভয় ছিল অস্ত্রধারী শত্রু নয় বরং কথার জাদু দিয়ে (বাকপটু মুনাফিক) দ্বীনকে বিকৃত করা লোকদের থেকে।

ইমাম হাসান আল-বসরী (রহ.) বলেন :
“তারা কথা বলে হিকমাহর মতো, কিন্তু কাজ করে শয়তানের মতো।”
(হিলইয়াতুল আওলিয়া 2/147)

তাদের বিভিন্ন কাজের মধ্যে রয়েছে- মূর্খ-ফাসিক লোকদের উস্কানি দেওয়া, লোকদের হকের বিরোধিতায় লিপ্ত করা। হকের বিরোধিতা করতে যেয়ে শত মিথ্যা হলেও বলবে, এমনকি তাগুতের হয়ে তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে হকের বিরোধিতা করার জন্য, তাতে সে মুরতাদ-কাফের হলো নাকি তা দেখে না। এমনকি হকের বিরোধিতাকে জীবন-মৃত্যুর বিষয় বানিয়ে নেয় যার জন্য এরা মরতেও রাজি। হককে ধ্বংস করতে নিজেরা ধ্বংস হতেও রাজি। ইতিহাসে মুসলিম জামায়াহ এর যত বড় বড় ক্ষতি হয়েছে তাঁর অন্যতম কারণ এই মুনাফিক শ্রেণী। কারণ এরা বাতিলের সাথে যখন তখন হাত মিলিয়ে ঈমানের শেষ অংশও বিক্রি করে দেয় আর মুসলিমদের বিরুদ্ধে বাতিলকে সাহায্য করে থাকে। এজন্যই এদের জন্য আল্লাহ জাহান্নামে প্রস্তুত রেখেছেন আলাদা স্থান, যে স্থানকে বলা হয় জাহান্নামের নিন্মতম স্থান- দারকুল আসফাল। ‘দারকুল আসফাল’ বা নিম্নতম স্তর কি এ সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সেটা হবে বদ্ধ সিন্ধুক। [মুসান্নাফে ইবন আবী শাইবাহঃ ১৩/১৫৪, নং ১৫৯৭২] আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘দারকুল আসফাল’ হচ্ছে, এমন কিছু ঘর যেগুলোর দরজা বন্ধ করা আছে। আর সেগুলোকে উপর ও নিচ থেকে প্রজ্জলিত করা হবে। [আত-তাফসীরুস সহীহ] ইবন আব্বাস বলেন, এর অর্থ, জাহান্নামের নীচে থাকবে। [তাবারী]

63:5 নং আয়াহ : এবং যখন তাদের‌কে বলা হয়- “এস, আল্লাহর রসূল তোমাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করবেন”। তখন তারা মাথা গুলো নাড়ায় (১) আপনি দেখবেন যে, তারা অহংকারে (আপনার কাছে আসা হতে) বিরত থাকে।
১. কারণ তারা ভীতু। মাথা নাড়িয়ে অস্বীকৃতি জানায়। কেননা, তারা সামনা সামনি সত্য বলার সাহস নেই যে, আমরা আল্লাহর রাসূলের কাছে যাবো না!
* মুনাফিকদের আরেক বৈশিষ্ট্য যেমন সামনা সামনি এরা অস্বীকার যাবে, মিথ্যা বলবে, নিস্পাপ সাজবে। আবার অনেক সময় সরাসরি না বলে অন্তরে চেপে রেখে মুখে বলে আমরা নির্দোষ, পক্ষেই আছি। আবার এমনও হয়- ভুল ধরলে তা স্বীকার করলেও অন্তর থেকে তা মেনে নেয় না, অহংকারের কারণে। অভিনয় করার মাধ্যমে তারা পলায়নপর হয় এবং দূরে যেয়ে আবার তাদের আসল রূপ প্রকাশ করে। এদের দিনরাতে কাজই এরকম দুই নাম্বারি করা। আর তাদের অন্তরজ্বালা হতে থাকে সব সময়। শয়তান এদের সব সময়ের সাথী হয়ে যায়।

=> মুনাফিকদের জন্য কোনও ক্ষমা নেই
63:6 নং আয়াহ : আপনি তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করুন বা ক্ষমাপ্রার্থনা না করুন, তাদের জন্য উভয়‌ই সমান। আল্লাহ কখনও তাদের‌কে ক্ষমা করবেন না [9:80, 9:84]। নিশ্চয়ই আল্লাহ ফাসিক সম্প্রদায়কে পথ দেখান না [2:99, 2:26]।
* যারা মুনাফিকি করে, তারা মিথ্যা বলার সাথে বিভিন্ন পাপ কাজ তাদের দ্বারা সমাজে প্রকাশ হয়, যেমন- গালিগালাজ করা যা ফাসেকি। এছাড়া- প্রকাশ্যে বড় গুনাহ (কবিরা গুনাহ) করা, আল্লাহর নিষিদ্ধ কাজ অভ্যাসবশত করা, নিয়মিত মিথ্যা বলা, নেশা করা, সুদ খাওয়া, চুরি করা, ব্যভিচার করা, ওয়াদা ভঙ্গ করা, ওজনে কম দেওয়া ও প্রতারণা করা, এবং আল্লাহর উপর ভরসা না করে কুসংস্কার ও শিরকে লিপ্ত হওয়া, বিড়ি-সিগারেট খাওয়া, টাখনুর নীচে কাপড় পরে ঘোরা, দাড়ি চেঁছে ফেলা ছোট করা, মানুষের ছবি বিকৃতি করে অঙ্কন, কোন জরুরী কারণ ছাড়াই ছবি তোলা ও সংরক্ষন করা ইত্যাদি কাজ হারাম কাজ প্রকাশ্যে করলে তাদেরকেই ফাসেক বলা হয়। আর মুনাফিকদের মধ্যে ফাসেকি পাওয়া যাবে।

=> মুনাফিকরা মাদীনাহ রাষ্ট্রকে দিতে চাইতেন না
63:7 নং আয়াহ : তারা বলে- “আল্লাহর রসূলের কাছে যা (রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব ও সঙ্গী-সাথী) আছে, সে জন্য খরচ/দান দিও না। যতক্ষণ না তারা (মুসলিম‌রা) ছিন্নভিন্ন/ ধ্বংস হয়ে যায়” [59:11-14]। অথচ মহাবিশ্ব ও পৃথিবীর ধনসম্পদ সমূহের উৎস আল্লাহই। কিন্তু মুনাফিকরা তা বোঝে না।

মুহাজির জাহজাহ ইবনে সা'দ আল-গিফারী ও আনসারী সিনান ইবনে ওবরাহর ঝগড়ার সময় আবদুল্লাহ ইবনে উবাই-ই এ কথা বলেছিল। আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে এর জওয়াব দেওয়া হয়েছে যে, নির্বোধরা মনে করে মুহাজিরগণ তাদের দান খয়রাতের মুখাপেক্ষী এবং ওরাই তাদের অন্ন যোগায়। অথচ সমগ্র নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের ধন-ভাণ্ডার আল্লাহর হাতে। তিনি ইচ্ছা করলে মুহাজিরগণকে তোমাদের কোন সাহায্য ছাড়াই সবকিছু দিতে পারেন। ইবনে উবাইয়ের এরূপ মনে করা নির্বুদ্ধিতা ও বোকামীর পরিচায়ক। তাই আল্লাহ্ তা'আলা এ স্থলে “তারা বোঝেনা” বলে বুঝিয়েছেন যে, যে এরূপ মনে করে, সে বেওকুফ ও নির্বোধ। [দেখুন: কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর]

এক যুদ্ধে (যাকে ঐতিহাসিকগণ ‘মুরাইসী’ অথবা ‘বানী মুসত্বালাক’ বলেন) একজন মুহাজির এবং একজন আনসার সাহাবীর মাঝে ঝগড়া বেধে যায়। এটাকে কেন্দ্র করে আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই (মুনাফিক) আনসারদেরকে বলল যে, ‘তোমরা মুহাজিরদেরকে সাহায্য করেছ এবং তাঁদেরকে নিজেদের সাথে রেখেছ। এখন দেখ তার ফল কি সামনে আসছে। অর্থাৎ, তোমাদেরই খেয়ে তোমাদেরকেই দাঁত দেখাচ্ছে! (তোমরা আসলে দুধ-কলা দিয়ে কাল সাপ পুষছ!) আর এর চিকিৎসা হল এই যে, তাঁদের জন্য ব্যয় করা বন্ধ করে দাও। দেখবে তাঁরা আপনা-আপনিই কেটে পড়বে।’ সে (আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই) এ কথাও বলেছিল যে, ‘আমরা (যারা সম্মানী লোক তারা) এই হীন (মুহাজির) লোকগুলোকে মদীনা থেকে বহিষ্কার করে দেব।’ যায়েদ ইবনে আরক্বাম (রাঃ) তার এই জঘন্য কথাবার্তা শুনে নেন এবং রসূল (সাঃ)-কে তা জানিয়ে দেন। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইকে ডেকে জিজ্ঞেস করলে সে পরিষ্কার অস্বীকার করে দেয়। ফলে যায়েদ ইবনে আরক্বাম (রাঃ) চরমভাবে ব্যথিত হন। মহান আল্লাহ যায়েদ ইবনে আরক্বাম (রাঃ)-এর সত্যবাদিতা প্রমাণের জন্য সূরা মুনাফিকুন অবতীর্ণ করেন এবং এর দ্বারা ইবনে উবায়ের নোংরা চরিত্রের মুখোশ পূর্ণরূপে খুলে দেন। (বুখারী, সূরা মুনাফিকূনের তাফসীর পরিচ্ছেদ)

=> মাদীনাহ থেকে মুসলিমদের বের করার চক্রান্ত
63:8 নং আয়াহ : তারা বলে- “যদি আমরা মাদীনাহ তে ফিরে যেতে পারি, তাহলে সম্মানিতরা (১) সম্মানহীনদের সেখান থেকে বের করে দেবে”। অথচ সম্মান আল্লাহ‌র, তার রসূলের ও মূমীনদের। কিন্তু মুনাফিকরা [59:12-14] তা জানে না।

১. এ কথা বলেছিল মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ ইবনু উবাই। সে নিজেকে ও তার সঙ্গীদের‌কে সম্মানিত এবং নাবী (সা) ও তার সঙ্গীদের‌কে সম্মানহীন বলেছিলেন। এখানে সে নিজের ও তার সঙ্গীদের সহ নাবী (সা) ও তার সঙ্গীদের নাম উচ্চারণ এজন্য করে নি যে, যদি তা নাবী (সা) কে কেউ জানিয়ে দেয়! কিন্তু তবুও যায়েদ ইবনু আরকাম (রা) তার এ কথা শুনে নেন এবং নাবী (সা) কে জানিয়ে দেন।

=> ধনসম্পদ ও সন্তান হতে সাবধান
63:9 নং আয়াহ : হে সত্য স্বীকার করা সম্মানিত মানুষজন, তোমাদের ধনসম্পদ সমূহ ও তোমাদের সন্তান সমূহ তোমাদেরকে আল্লাহর বিধান থেকে উদাসীন না করে দেয় [3:14]। (যদি উদাসীন হয়) ওরা তারাই, যারা ক্ষতিগ্রস্ত।

এখানে আল্লাহ্ তা'আলা খাঁটি মুমিনদেরকে সম্বোধন করে সতর্ক করছেন যে, তোমরা মুনাফিকদের ন্যায় দুনিয়ার মহব্বতে মগ্ন হয়ে যেয়ো না। যেসব বিষয় মানুষকে দুনিয়াতে আল্লাহ থেকে গাফেল করে, তন্মধ্যে দুটি সর্ববৃহৎ-ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি। তাই এই দুটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। নতুবা দুনিয়ার যাবতীয় ভোগ-সম্ভারই উদ্দেশ্য। আয়াতের সারমর্ম এই যে, ধনসম্পদ ও সন্তানসন্ততির মহব্বত সর্বাবস্থায় নিন্দনীয় নয়। কিন্তু সর্বদা এই সীমানার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এসব বস্তু যেন মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে দেয়। এখানে ‘আল্লাহর স্মরণের’ অর্থ কোন কোন তফসীরবিদের মতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, কারও মতে হজ ও যাকাত এবং কারও মতে কুরআন। হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ বলেনঃ স্মরণের অর্থ এখানে যাবতীয় আনুগত্য ও ইবাদত। [কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর]
অর্থাৎ, মাল এবং সন্তান-সন্ততির ভালবাসা তোমাদের উপর এমনভাবে প্রভাব বিস্তার না করে ফেলে যে, তোমরা আল্লাহ কর্তৃক আরোপিত যাবতীয় বিধি-বিধান ও ফরয কার্যাবলী থেকে উদাসীন হয়ে যাও এবং তাঁরই নির্ধারিত হালাল ও হারামের সীমালংঘনের ব্যাপারেও একেবারে বেপরোয়া হয়ে যাও। মুনাফিকদের আলোচনার পরে পরেই এই সতর্কতার উদ্দেশ্য হল, এ কথা জানিয়ে দেওয়া যে, এটা হল মুনাফিকদের চরিত্র যা মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ঈমানদারদের চরিত্র এর বিপরীত। আর তা হল, তাঁরা সব সময় আল্লাহকে স্মরণে রাখেন। অর্থাৎ, তাঁর যাবতীয় বিধি-বিধান ও অত্যাবশ্যকীয় কার্যাবলীর প্রতি যত্ন নেন এবং হালাল ও হারামের মধ্যে পার্থক্য খেয়াল করেন।

=> দান মানুষকে স্বলিহীন বানিয়ে দেয়
63:10 নং আয়াহ : আমরা তোমাদেরকে রিযিক হিসাবে যা দিয়েছি, তোমরা তা হতে দান কর। তোমাদের মৃত্যু এসে যাওয়ার পূর্বেই। নয়ত সে বলবে- “হে আমার প্রভু, যদি আপনি কিছু কাল অবকাশ দিতেন, তাহলে আমি সাদকা/ দান করতাম এবং স্বালিহীন/ পূণ‍্যবান‌দের একজন [23:99-100] হয়ে হতাম”।

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করল, কোন সদকায় সর্বাধিক সওয়াব পাওয়া যায়? তিনি বললেনঃ “যে সদকা সুস্থ অবস্থায় এবং ভবিষ্যতের দিকে লক্ষ্য করে- অর্থ ব্যয় করে ফেললে নিজেই দরিদ্র হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকা অবস্থায় করা হয়।” তিনি আরও বললেনঃ “আল্লাহর পথে ব্যয় করাকে সেই সময় পর্যন্ত বিলম্বিত করো না। যখন আত্মা তোমার কণ্ঠনালীতে এসে যায় এবং তুমি মরতে থাক আর বলঃ এই পরিমাণ অর্থ অমুককে দিয়ে দাও, এই পরিমাণ অর্থ অমুক কাজে ব্যয় করা।” [বুখারী: ১৩৫৩, মুসলিম: ১০৩২, মুসনাদে আহমাদ: ১/৩৯৬]

=> নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অবকাশ দেওয়া হয়
63:11 নং আয়াহ : অথচ আল্লাহ কাউকে তার নির্ধারিত সময় পূর্ণ হ‌ওয়ার পর অবকাশ দেন না। আর আল্লাহ সেই সমস্ত বিষয়ে জ্ঞান রাখেন, যে সমস্ত কর্ম তোমরা করছো।

# যেন কেউ বলতে না পারে যে, আমাকে অবকাশ দেওয়া হয় নি কেন?? আমি তো নিজেকে সংশোধন করতাম। তাই আল্লাহ নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অবকাশ দেন।

=> অতঃপর, খাতির জমানোর জন্য মুনাফিক ও ফাসিকদের সঙ্গে উঠাবসা করা

দুর্বল ঈমানের অনেক মানুষই পাপাচারী ও দুষ্কৃতিকারীদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় উঠাবসা করে, যোগাযোগ রাখে। এমনকি আল্লাহর দীন ও তার অনুসারীদের প্রতি যারা অহরহ ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে, তাদের সঙ্গেও তারা দহরম-মহরম সম্পর্কে রেখে চলে, তাদের মোসাহেবী করে। অথচ এ কাজ যে হারাম তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَإِذَا رَأَيۡتَ ٱلَّذِينَ يَخُوضُونَ فِيٓ ءَايَٰتِنَا فَأَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ حَتَّىٰ يَخُوضُواْ فِي حَدِيثٍ غَيۡرِهِۦۚ وَإِمَّا يُنسِيَنَّكَ ٱلشَّيۡطَٰنُ فَلَا تَقۡعُدۡ بَعۡدَ ٱلذِّكۡرَىٰ مَعَ ٱلۡقَوۡمِ ٱلظَّٰلِمِينَ ٦٨ ﴾ [الانعام: ٦٨]
“যখন আপনি তাদেরকে আমার কোনো আয়াত বা বিধান সম্পর্কে উপহাসমূলক আলোচনায় মগ্ন দেখতে পান তখন আপনি তাদের থেকে সরে থাকুন, যে পর্যন্ত না তারা অন্য প্রসঙ্গে লিপ্ত হয়। আর যদি শয়তান আপনাকে ভূলিয়ে দেয়, তাহলে স্মরণে আসার পর যালিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে আপনি আর বসবেন না”। [সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ৬৮]

সুতরাং ফাসিক-মুনাফিকদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক যত গভীরই হউক কিংবা তাদের সাথে সমাজ-সামাজিকতায় যতই মজা লাগুক এবং তাদের কণ্ঠ যতই মধুর হউক তাদের সঙ্গে উঠাবসা করা বৈধ নয়।

হ্যাঁ, যে ব্যক্তি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান করে, তাদের বাতিল আকীদার প্রতিবাদ করে কিংবা তাদেরকে অন্যায় থেকে নিষেধ করার জন্য তাদের নিকট গমনাগমন করে সে উক্ত নির্দেশের আওতাভুক্ত হবে না। স্বেচ্ছায়, খুশীমনে ও কোনো কিছু না বলে নীরবে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে রাখাতেই সব সমস্যা। অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَإِن تَرۡضَوۡاْ عَنۡهُمۡ فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يَرۡضَىٰ عَنِ ٱلۡقَوۡمِ ٱلۡفَٰسِقِينَ ٩٦﴾ [التوبة: ٩٦]
“যদি তোমরা তাদের প্রতি সন্তুষ্টও থাক, তবে (জেনে রেখ) আল্লাহ ফাসিক বা দৃষ্কৃতিকারী সম্প্রদায়ের প্রতি সন্তুষ্ট নন”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৯৬]
... See MoreSee Less

5 CommentsComment on Facebook

@followers

যে ব্যাক্তি হাদীস লিখছে সেই ব্যাক্তি নিজে বলতেছে, ভাই এই সব হাদীস আমি লিখেছি, আমি লিখেছি, তারপরও যেই গাদারা বিশ্বাস করবে না ,তাদের জাহান্নাম ছাড়া আর কি আশা করেন?? এরা যে সমাজে ফিতনা নিয়ে আসতেছে আপনার কল্পনার বাহিরে। জুয়েল মাহমুদ এতটাই কাযযাব যে, তার নামটা পর্যন্ত জুয়েল মাহমুদ নয়। বরং, জুয়েল আলী। তার ব্যাপারে কোনো হাদীস নেই। বরং, সে জ্বীনদের সহায়তায় হাদীস Fabricate করে সবাইকে ধোঁকা দিত ‼️ জুয়েল আলী গাযওয়াতুল হিন্দের কোনো নেতা নয়। বরং, জুয়েল আলী হচ্ছে একটা ফাসিক্ব, জালিম, যিন্দীক, মুর্তাদ, কাফির, মুশরিক এবং মুনাফিক্ব। তার কাছে জিব্রাঈল কোনো ইলহাম নিয়ে আসেন না। বরং, নিকৃষ্ট জ্বীন আসে নিকৃষ্ট মিথ্যা কথা নিয়ে। জুয়েল আলীর চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র নয়। বরং, সে সারারাত যিনা করে। এমনকি এই ল্যাংড়াকে আরেকজন ধরে না তুললে সে খাড়া হতে না পারলেও, এই হালতেই সে খুঁড়িয়ে-খুঁড়িয়ে হামাগুড়ি দিয়ে শরীরের সকল শক্তি একত্রিত করে নিয়ে রামাদ্বান মাসে আরেকজনের স্ত্রীর সাথে যিনায় লিপ্ত হয়েছে সেই মেয়েকে এই কথা বুঝিয়ে যে, তার সাথে যিনা করলে নাকি কোনো গুনাহ হবে না ‼️ যদিও তার গুনাহের সংখ্যা গণনা করা কষ্ট, তবুও শুধু এই ১টি পাপের জন্যই ইসলামী শরীয়তে তার শাস্তি রজম তথা পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ড। জুয়েল আলীর মতে তার পুনর্জন্ম হয়েছে। আগের জন্মে নাকি সে মিকাইয়া নামে একজন নবী ছিল। জুয়েল আলীর মতে ক্ববরের ৪র্থ প্রশ্ন হচ্ছে, তুমি দুনিয়াতে জুয়েল আলীকে পাত্তা দিতে কিনা। যদিও এই বেশ্যা-কুত্তি-ছিনাল-যিনাকারীর নামই শুনেনি কেউ তেমন-একটা। তার প্রিয় বন্ধু শামীম বিন মুখলেসুর রহমানকে (যাকে সে সাহেবে ক্বিরাণ বানিয়েছিল) আল্লাহ ﷻ দয়া করে হিদায়াত দিয়ে পথভ্রষ্ট জুয়েলের ফিতনায় পতিত হওয়া থেকে হিফাযাত করেছেন। শামীম তাকে ভন্ড বলে দিয়েছেন। এতে উম্মাহর সামনে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, তার বেস্ট ফ্রেন্ড শামীমকে সাহেবে ক্বিরাণ বানিয়ে সে যেসব হাদীস Fabricate করেছিল, সেগুলো সব জাল। যেখানে প্রতিদিন সে আল্লাহর নামে মিথ্যাচার করে, সেখানে রাসূলুল্লাহর ﷺ নামে মিথ্যাচার আর এমন কি। তার সকল কাজের ভিত্তিই মিথ্যার উপর। এই বেজন্মা কুত্তিকে নিয়ে লেখালেখি করে আমি লজ্জিত। আল্লাহর কাছে মাফ চেয়েছি এবং তাওবাহ করেছি। আপনারা যারা এই নিকৃষ্ট ভন্ডকে বিশ্বাস করেন তার নেতৃত্বে হিন্দুস্তান বিজয়ের স্বপ্নে বিভোর, তারাও সবাই তাওবাহ করুন। আশা করি আল্লাহ ﷻ তাকে শীঘ্রই ধ্বংস করে দিবেন এবং সেই ধ্বংসকে করবেন বাংলাদেশের সকল মুসলিমের জন্য নিদর্শন।

www.facebook.com/share/p/1BxB3o8qzj/দেখুন জুয়েলমাহমুদ এর মিথ্যা ইলহাম

View more comments

ভারত-বাংলাদেশ যে উত্তেজনা চলছে, তার দিকে নজর রাখা খুবই জরুরী।

বর্তমান বিশ্বের খবরাখবর আমরা এই পেজে পোস্ট করি না। আপনারা সেজন্য আমাদের নিউজ পেজ ও চ্যানেলে যুক্ত থাকবেন, সেখানে প্রতিমুহূর্তের খবর আপডেট হয়। ফেসবুক পেজ ও টেলিগ্রাম চ্যানেল লিঙ্ক কমেন্টে দিলাম।

(পোস্ট এ লিঙ্ক দিলে পোস্ট রিচ হয় না, তাই কমেন্টে দেওয়া হলো)
... See MoreSee Less

7 CommentsComment on Facebook

@followers

ফেসবুক পেজ লিঙ্ক- www.facebook.com/UmmaherBarta টেলিগ্রাম চ্যানেল- t.me/UmmaherBarta2

তোগো হাদিস বানানোর মেশিন তো যেই মুসকিলে আছে এহুলা দেখার টাইম কেমতে পায়ভো

View more comments

ভারত বাংলাদেশে হামলা (অনুপ্রবেশ) করার চেস্টা করতে পারে বলে পাকিস্তানি পেজ (Pakistan Strategic Forum) থেকে সতর্কবার্তা জানিয়েছে।

পোস্ট লিঙ্ক কমেন্টে।
... See MoreSee Less

ভারত বাংলাদেশে হামলা (অনুপ্রবেশ) করার চেস্টা করতে পারে বলে পাকিস্তানি পেজ (Pakistan Strategic Forum) থেকে সতর্কবার্তা জানিয়েছে।  পোস্ট লিঙ্ক কমেন্টে।

ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলায় আবরার ফাহাদ এর মত হাদীকেও হত্যার স্বীকার হতে হয়েছে। আজ কিছুক্ষন আগেই মারা গেছে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উতপ্ত হচ্ছে দিন দিন। কিছু নিউজে এসেছে দেশে ভারত থেকে গুপ্তহত্যাকারী অনেক লোক প্রবেশ করেছে। জানা নেই এদের পরের টার্গেট কারা। তবে ভারত এভাবে বাংলাদেশকে দুর্বল ও তাদের কাছে নত করার যে প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে তা এখন স্পষ্ট। দুই দেশই একে অপরকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে যার শেষ পরিণাম কি হবে এখনো বলা যাচ্ছে না।
তবে আমাদেরকে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে ইনশা আল্লাহ।
... See MoreSee Less

ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলায় আবরার ফাহাদ এর মত হাদীকেও হত্যার স্বীকার হতে হয়েছে। আজ কিছুক্ষন আগেই মারা গেছে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উতপ্ত হচ্ছে দিন দিন। কিছু নিউজে এসেছে দেশে ভারত থেকে গুপ্তহত্যাকারী অনেক লোক প্রবেশ করেছে। জানা নেই এদের পরের টার্গেট কারা। তবে ভারত এভাবে বাংলাদেশকে দুর্বল ও তাদের কাছে নত করার যে প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে তা এখন স্পষ্ট। দুই দেশই একে অপরকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে যার শেষ পরিণাম কি হবে এখনো বলা যাচ্ছে না।
তবে আমাদেরকে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে ইনশা আল্লাহ।

1 CommentComment on Facebook

শহীদ কাকে বলে।

View more comments

🚨বাবরি মসজিদের মর্মান্তিক উচ্ছেদ : উগ্র হিন্দুত্ববাদের নগ্ন আগ্রাসন
আজ ৬ ই ডিসেম্বর। ইতিহাসের পাতায় ১৯৯২ সালের এই দিনে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের ষড়যন্ত্রে ভারতের ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদকে ধ্বংস করা হয়। এই নির্মম ঘটনা ইতিহাসের এমন এক কালো অধ্যায়, যা আজো আমাদের বুকের রক্ত ঝরায়।

যেভাবে বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছিলোঃ
এই দিন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপির নেতৃত্বে দেড় লাখ কর সেবকের বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রার আড়ালে লুকিয়ে ছিল দীর্ঘ পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তারা জোরালোভাবে দাবি করছিল, বাবরি মসজিদের স্থানে রামের জন্মস্থান রয়েছে তাই রাম মন্দির নির্মাণ করতে হবে।

শোভাযাত্রাটি যখন অযোধ্যায় পৌঁছায়, তখন উত্তেজনা চরমে ওঠে। উগ্র হিন্দু সন্ত্রাসীরা তাদের নোংরা উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে মসজিদ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে সহিংস হয়ে ওঠে। শত শত মানুষের চিৎকার, শাবল, হাতুড়ির আঘাতে ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত এই ঐতিহাসিক মসজিদটিকে মুহূর্তেই ধ্বংস করে দেয়া হয়। তাদের এই বর্বরতায় শুধুমাত্র মসজিদের ইট-গাঁথুনি নয়, মুসলিমদের হৃদয়ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়।

পরদিনই ভারতজুড়ে ভয়াবহ দাঙ্গা শুরু হয়। শত শত মসজিদে হামলা চালায় উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। এতে প্রায় দুই হাজারেরও বেশি মুসলমান শাহাদাতবরণ করেন। দাঙ্গার পর ভারত সরকার বিচারপতি মনমোহন সিং লিবারহানের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করে।

১৬ বছর তদন্ত শেষে কমিশন ২০০৯ সালে ১০২৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেয়, যেখানে স্পষ্ট বলা হয়-৬ ডিসেম্বর ১৯৯২-এর হামলা ছিল পূর্বপরিকল্পিত। কিন্তু ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হিন্দুত্ববাদী আদালত একপক্ষীয় রায় দিয়ে সব হিন্দু সন্ত্রাসীকে নির্দোষ ঘোষণা করে।

আজ বাবরি মসজিদের স্থানে হিন্দুত্ববাদী ভারত রামমন্দির নির্মাণ করেছে। সেখানে প্রতিদিন চলে মূর্তি পূজা, যা আল্লাহর সাথে প্রকাশ্য বিদ্রোহ। শুধু বাবরি মসজিদ নয়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন উগ্র হিন্দুত্ববাদী সরকার ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বহু মসজিদ ধ্বংস করে মন্দির বানানোর অপচেষ্টা করছে।

উম্মাহর এই ক্রান্তিকালে নীরব থাকা মানে শত্রুর কাছে আত্মসমর্পণ করা। মুসলমানদের উচিত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ঈমানকে দৃঢ় করা এবং ঐক্যবদ্ধ হওয়া। এখন সময় এসেছে আবার জেগে ওঠার।

বাবরি মসজিদ শুধু একটি মসজিদ নয় এটি বিশ্বাস, সম্মান ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। তাই নিজেদেরকে এমনভাবে গড়ে তুলুন যাতে আমরা দ্রুতই বাবরি মসজিদ পুনরুদ্ধার করে সলাত আদায় করতে পারি। ইংশাআল্লাহ
... See MoreSee Less

2 CommentsComment on Facebook

@followers

ইনশাআল্লাহ

View more comments

ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ এর সম্প্রতি পর্ব আকারে পাবলিশ হওয়া লেকচার ভিডিওগুলোর লিঙ্ক-

(ভিডিওগুলোতে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে [দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য] মুসলিমদের করনীয়-বর্জনীয় এবং শরীয়তের সাথে কোন বিষয়গুলো সাংঘর্ষিক তা উল্লেখপূর্বক সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরে এবং সেগুলো দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে কেন ফলপ্রসূ নয় তার উল্লেখ পাওয়া যায়।)

পর্ব-১ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে রসূল (সঃ) এর বিপরীতে মানুষের তৈরি ৬ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
Video link- www.youtube.com/watch?v=w4ww_qDqeHo

পর্ব-২ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে রসূল (সঃ) এর বিপরীতে মানুষের তৈরি ৬ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
Video link- www.youtube.com/watch?v=KT1yaCLQlm4

পর্ব-৩ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে রসূল (সঃ) এর বিপরীতে মানুষের তৈরি ৬ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
Video link- www.youtube.com/watch?v=Vt4QgHXWDC0

পর্ব-৪ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে রসূল (সঃ) এর বিপরীতে মানুষের তৈরি ৬ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
Video link- www.youtube.com/watch?v=daAy4mFwB4U

পর্ব-৫ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে রসূল (সঃ) এর বিপরীতে মানুষের তৈরি ৬ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
Video link- www.youtube.com/watch?v=Empglmt3gPE

পর্ব-৬ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে রসূল (সঃ) এর বিপরীতে মানুষের তৈরি ৬ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
Video link- www.youtube.com/watch?v=s8TpM26JB0o
... See MoreSee Less

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। বর্তমান সময়ে শামিম গং কর্তৃক অপপ্রচার বিষয়ে কিছু কথাঃ

(এটা তাদের বিষয়ে কোন জবাবমূলক লেখা না, শুধুই ইমাম মাহমুদ এর অনুসারীদের একটি বিষয়ে জ্ঞাত করার জন্য কিছু তথ্য দেওয়া, কারণ এসকল বিদ্রোহীদের কোন প্রশ্নের জবাব দেওয়া হবে না। তাদেরকে তাদের মত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে যাতে তারা বিভ্রান্তই হতে থাকে এবং এর কোন নিরসন আমরা করবো না। আল্লাহ তাদের বিভ্রান্তিতেই রাখুক।)

অনেক ভাই ও বোনেরা হঠাৎ করে সাহেবে কিরন খ্যাত শামিম গং কর্তৃক করা অপপ্রচার দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। মনে হচ্ছে হঠাৎ করে তারা কাফেলা ত্যাগ করে চলে গিয়েছে ও কাফেলা যে হক নয়, সে বিষয়ে জ্ঞান ও হেদায়েত পেয়েছে, এর আগে অন্ধ ভক্ত ছিল(!)। সাথে সরাসরি ইমাম মাহমুদকে ব্যক্তি আক্রমণ করার জন্য তাঁর ব্যাপারে বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করছে। যারা নতুন এসেছে কিংবা কোন দায়িত্বশীল নয়, বা যারা এ বিষয়ে অজ্ঞাত তারা এটিকে হঠাৎ নতুন হিসেবে দেখছে এবং বিভিন্ন চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

আসল ঘটনা তাদের জানা নেই এবং তারা এ কারণেই সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছে এই ঘটনায়। তবে এখন এই বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে, যা থেকে তাদের পিছনে যাওয়ার আর সুযোগ নেই। আসুন কিছু বিষয় জেনে নেই-

শামিম ও গং/শামিমের আরো কিছু ভক্ত সাঙ্গপাঙ্গ, তারা কাফেলা ছেড়ে চলে যায় নি বরং তাদেরকে অপমান ও লাঞ্ছিত করে কাফেলা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তাই আপনারা যারা কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছর পুরনো, তারাও দেখবেন এই শামিম ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গকে কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব; এমনকি কোন ধরণের দায়িত্বশীলও করে রাখা হয়নি। বরং কাফেলা থেকে দূরেই রাখা হয়েছিল। তাদেরকে বের করার পিছনে রয়েছে হাজারটা কারণ, তাঁর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখযোগ্য-

ক) ইমাম মাহমুদ এর সাথে থাকতে চাওয়া ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো নিজেরা নিয়ে দলে নিজেদের কর্তৃত্ব রাখার লোভ ও এ কারণে মুনাফিকি-বিদ্রোহ করা। তারা যেহেতু সবচেয়ে পুরনো, তাই সবকিছুতেই তাদের সাথে পরামর্শ করে তথা তাদের কথাতেই ইমাম বা আমীর চলবে এমন একটি খাহেশাত। এজন্য তারা নিজেদেরকে সেই উমর রাঃ এর করা আহলুশ শুরার মত নিজেদের নামে শুরা বোর্ড গঠনের মত একটি ঐচ্ছিক বিষয়ের জন্য ইমামের সাথে জোর জবরদস্তি করে, যেভাবে কেউ ফরজ বিষয়েও করে না এবং এসকল বিষয় নিয়ে ইমামের সাথে ধোঁকাবাজী করে মুনাফিকদের নিয়ে বৈঠক তৈরি করে এবং সেই বৈঠকে তাদের নেতাকে তারা স্পষ্ট মিথ্যা কথা বলে আহবান জানিয়ে উপস্থিত করেছিল। সেই বৈঠক ছিল কাফেলার ক্ষতি চাওয়া লোকজন ও অন্তরে নিফাক থাকা লোকজনদের মিলনমেলা, যাদের কিছুদের ব্যাপারে মুনাফিক হওয়ার ঘোষণাও ছিল, অর্থ আত্মসাৎ ও সম্পদ আত্মসাৎ এর প্রমাণ ছিল। তাদের নিয়ে দল ভারি করেছিল যাতে তারা আমীরের সাথে জোর জবরদস্তি করতে সুবিধা হয়।

* অনেকে শামিম গং এর কুযুক্তি দিয়ে বলতে পারে, তাদের তো ক্ষমতার বিষয়ে ঘোষণাই ছিল, তাহলে তারা এরকম করবে কেন? (যদিও ঘোষণাটিও একটি আপেক্ষিক বিষয়); করার কারণ হচ্ছে এই অল্প জ্ঞান বিশিষ্ট লোভীদের কাফেলা থেকে দূরে রাখাতে, দায়িত্ব থেকেও দূরে রাখাতে এবং কাফেলার কার্যক্রম গুলো না জানানোতে তারা আর লোভ সামলিয়ে তথা ধৈর্যধারণ করে থাকতে পারে নি। তারা অপেক্ষা করেনি, নগদেই বিশ্বাসী ছিল বেশি। তাই তারা নিজেদের কুবুদ্ধি খাটিয়ে এবং নিজেদের শয়তানী ষড়যন্ত্র খাটিয়ে এগুলো করেছিল। আল্লাহ তাদের একারণে চরম লাঞ্ছিত করেছেন এবং আরো করবেন, আমিন।
এরপর মাথায় একটি বিষয় আসবে যে তাদেরকে কেন দূরে রাখা বা দায়িত্ব না দেওয়ার ঘটনা ঘটে? এর কারণও তো আছে তাই না? এই কারণগুলো একেকজনের একেকটি হলেও আমরা মূল যে বিশ্বাসঘাতক তথা শামিম তাঁর বিষয়েই বলবো। তাঁর মধ্যে রয়েছে তাঁর আল্লাহকে নিয়ে মিথ্যাচার ও নিজেও ইলহামপ্রাপ্ত বলে মিথ্যা প্রমাণ করার অসংখ্য প্রচেষ্টা। নাউযুবিল্লাহ! যার কারণে ইমাম মাহমুদ কর্তৃক অনেকবার কঠোরভাবে শাস্তি দেওয়া হয় (বিশেষ করে বয়কট) এবং সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু সংশোধন আর হয়নি এবং যখন এ কারণে কাফেলা থেকে দূরে বয়কটে রাখা হয়, ফলে তাঁর আশে পাশে যারা ছিল, মূর্খ-অজ্ঞ এবং তাকে ভালো জাননেওয়ালা, তাদেরকে তাঁর মিষ্টি কথায় ও অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর পাশে নিয়ে ইমাম মাহমুদ এর সাথে তাঁর লোভ ও ক্ষোভ জানাতে দল পাকায়। উস্কানি দিতে ব্যবহার করে তাঁর মুখের তীর- আপনার সাথে তো আমীর ইনসাফ করছে না। আপনি এটা পাওয়ার যোগ্য কিন্তু আমীর আপনাকে এটা দিচ্ছে না, সেটা দিচ্ছে না। আপনি পুরাণ ব্যক্তি, কিন্তু তাঁর পাশে আপনাকে না রেখে দূরে রাখে দায়িত্ব দিয়ে। আপনিই তো এটার হকদার। আপনি এই সেই, এভাবে বুঝিয়ে তাদেরকে অহংকারের চূড়ায় নিয়ে গিয়ে তাঁর শয়তানী বুদ্ধিতে একমত করায় সাথে আমীরের এই ভুল আছে, সেই ভুল আছে বলে মিথ্যা ছড়ায়। তখন ইমাম মাহমুদ এর কাছে এ বিষয়ে ইলহাম হয় ০৭/০১/২০২৫ তারিখে অর্থাৎ এই বছরের শুরুতেই। যাতে বুঝা যায়-
১/ হে মাহমুদ! তুমি চিন্তিত ও রাগান্বিত হয়োনা তাদের উপর ; তাদের অপরাধের জন্য।
২/ তারা তাদের জ্ঞানের স্বল্পতার জন্যই মন্দ চিন্তা ধারণ করেছে অন্তরে।
৩/ তুমি শুধু বলো ; আমি ইনসাফকারী, বেইনসাফকারী নই। আমি অভিভাবক, অত্যাচারী নই।
৪/ অতঃপর তাদেরকে ছেড়ে দাও তাদের নিজেদের উপর। যতক্ষণ না তারা লজ্জিত হয়ে তোমার নিকট উপস্থিত হয় ও তাওবা করে।
৫/ আর তারা জেনে রাখুক যে, যারা আমীরের নাফরমানী করে তারা রসূলেরই নাফরমানী করলো। আর যারা রসূলের নাফরমানী করলো তারা মূলত আল্লাহরই নাফরমানী করলো।
৬/ আর নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।

অর্থাৎ, তাদের চিন্তা হচ্ছে- তাদের সাথে ইনসাফ করা হচ্ছে না, অত্যাচার করা হচ্ছে।
এরপর শুধু শামীম নয়, পুরো শামীমের পাকানো বিদ্রোহী দল নিয়েই বয়কটের শিকার হয় কাফেলার পক্ষ থেকে। তাদের সকলকে কাফেলা থেকে দূরে রাখা হয় যতক্ষণ না তাওবা করে, ক্ষমা না চায় এই বিদ্রোহী হওয়া থেকে।
এরপর অনেকে ক্ষমা চায়। কিন্তু তারা মানতে পারে না, তাদের বিরুদ্ধে এরকম ইলহাম! তাদের কিভাবে জ্ঞান স্বল্প!। তারা এত উচু পর্যায়ের, পুরানো, অমুক তমুক ইত্যাদি। তারা এটাকে এত সহজে না ছেড়ে সেই একই বিষয়ের উপর অটল থাকলো। এবং বিভিন্ন সময়ে সেই আমিত্ব ও অহংকার ফুটিয়ে সামনে আনতো। তাদের সব সময় অন্তরজ্বালা হতে থাকে। আর এরপর যেহেতু মুখে তারা তাওবা করে নিয়েছিল, কাফেলাতে টুকটাক কাজ করা শুরু করলো তখন আরো বড় করে বিদ্রোহ করার জন্য তারা মিথ্যা বলে ইমামকে নিয়ে যায় তাদের এলাকায় এবং সেখানে সকল মুনাফিক ও কামচোরদের একত্রিত করে মজলিস তৈরি করে, সেখানে কাফেলার কিছু লোকদেরকেও মিথ্যা কথা বলে উপস্থিত করায় এই শামিম গং রা। আমীরের উপর তাদের সব রাগ ও ক্ষোভ ঝাড়ে, কেন বয়কট দিবে তাদের, তাদের দোষ নেই। বুঝাতে চায় উল্টা আমীরেরই দোষ ইত্যাদি। তারা তাদের অপরাধ তো স্বীকার করেই নি বরং তাদের কথাগুলো ঘুরিয়ে পেচিয়ে এরকম- আমীরের সফর সাথী ওই লোকগুলো থাকবে কেন? আমি/আমরা থাকবো। কাফেলার প্রয়োজনের ক্ষেত্রে আমির নিজে যে অর্থ খরচ করে এবং কাফেলার যে সকল সাথী ভাইদের নিতান্তই অর্থের প্রয়োজন তাদের যে আমির অর্থ সহায়তা দেয় সে বিষয়েও এই শামীম গংরা হিসাব চায়। এখানে নাকি অপচয়, অপব্যয় হচ্ছে। একটু চিন্তা করুন, এই সকল বার বার অপরাধ করা বিদ্রোহীদের কাছে ইমাম মাহমুদ এর হিসাব দিতে হবে। আর এই হিসাব চাওয়াও একটা অজুহাত যা দিয়ে ইমামকে তারা আটকাতে চায়, যেমনভাবে ১৪০০ বছর আগের মক্কা-মদিনার মুনাফিকরা-খারিজিদের পূর্বপুরুষরা রসূল সঃ কে বলতো- আপনি তো ইনসাফ করেন নি, আপনি তো সঠিক ভাবে বন্টন করেন নি। এমন ভঙ্গি যেন তারা নেতা আর ইমাম মাহমুদ তাদের কর্মী। তাদের উদ্দেশ্য শুধু এরকম বিভিন্ন অযৌক্তিক বিষয় সামনে এনে নিজেদের স্বার্থ হাছিল করা।

খ) কাফেলার কোন কাজ না করেই কাফেলা হতে তারা বসে বসে আর্থিক সাহায্য না পাওয়ায়, তারা বিলাসিতা করতে না পারায়, অপচয় করতে না দেওয়ায়, তাদের আরেক ক্ষোভ। যেমন তারা কথায় কথায় বলে থাকে তাদের কি দিয়েছে, কি দিয়েছে! অথচ বিভিন্ন জায়গায় এত এত খরচ করেছে, করতেছে। এসকল কথা থেকেই তাদের লোভ স্পষ্ট ফুটে ওঠে। আর তাঁর সাথে তো পদ পদবি/দায়িত্ব পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা তো আছেই। যখন লোকদের থেকে শোনে যে তারা এত পুরানো, ইমামের সাথে আগে থেকে ছিল, তাদের তেমন কোন দায়িত্ব দেওয়া নেই, কাফেলা থেকে দূরে রাখে। এতে তাদের অন্তরজ্বালা শুরু হতো আর আমিত্ব ভাব চলে আসতো। তারা লোভ সামলিয়ে আর কুলাতে পারেনি। তাই তারা এইসব জঘন্য কর্মকাণ্ড করেছিল।

সেই বৈঠকের সময় জোর করে ইমাম মাহমুদ এর সফর সাথীদের সরিয়ে দেওয়া এবং কাফেলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজেরা ভাগ করে নেওয়ার যে অবস্থা। এরপরও আবার মুখে বলে তাদের নাকি ক্ষমতার লোভ নেই, কোন কিছুর লোভ নেই। এরপর এই অবস্থা কাফেলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিগণ জানার পর, পরের দিনই তাদেরকে কৌশলে ধরে তাদের কাছে এই কাজের ব্যাখ্যা চায়। তারা সেখানে অভিনয় করে যায়, এবং আবারো মাফ চায়, ভুল করেছে বলে কেদে দেয় ইত্যাদি নাটক করে। তাদেরকে সেদিন অনেক লোকের সামনে লাঞ্ছিত হতে হয়, তাদের কর্মের দরুনই। এরপরও ইমাম মাহমুদ থেকে তাদের সুযোগ দেওয়া হলেও তারা আর সেই সুযোগ নেয়নি। তাদের এই লাঞ্ছনা তাদেরকে না শুধরিয়ে আরো পথভ্রষ্ট করে দেয়। তারা তাদের শয়তানীতেই লিপ্ত থাকে এবং অফলাইনে বিভিন্ন জায়গায় অপপ্রচার চালিয়ে যায়, নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগও দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আরেকটি ইলহাম আসে-
১/ হে মাহমুদ, যারা তোমাকে নিয়ে মিথ্যাচার করছে এবং তোমার বিরুদ্ধে কর্ম করছে।
২/ নিশ্চয় আল্লাহ অবগত আছেন তাদের সম্পর্কে।
৩/ তুমি তাদের বিষয় তাদের উপরেই ছেড়ে দাও।
৪/ তাদের এই ঘৃণিত কর্মের জন্য অবশ্যই তারা লাঞ্চিত হবে ইহকালে ও পরকালে।
৫/ নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল কিছু দেখেন ও শোনেন।
৬/ আর আমি তোমাকে পাঠিয়েছি সত্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য, আর মিথ্যাকে ধ্বংস করার জন্য।
৭/ আল্লাহই তোমাকে পাঠিয়েছেন মুসলমানদের অভিভাবক হিসেবে।
৮/ অতঃপর আল্লাহই তোমার সাহায্যকারী হিসেবে যথেষ্ট।
৯/ নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাজ্ঞানী এবং আল্লাহ সকল বিষয়েই শক্তিশালী।
তারিখ- ১২/০৭/২৫ ঈসায়ী

এটাই তাদের জন্য চূড়ান্ত বার্তা। শামিম গং এর পরিণতি তাদের কর্ম অনুযায়ীই হবে। তারা নিজেদের উপর নিজেরাই লানত চাপিয়ে নিয়েছে। বর্তমান অবস্থা এমন যে তারা বিরোধিতা করার জন্য ইমাম মাহমুদ এর আসল নামটিও ভুল বলে প্রচার করছে। এরা বিরোধিতা করতে যেয়ে একদম অন্ধ হয়ে গিয়েছে। এতদিন কি এটাও জানতো না নাকি এরা ক্ষমতা ও অর্থের লোভে অন্ধ ভক্ত ছিল? এই গং দের ইসলামী জ্ঞান তো দুরের কথা, সামান্য দুনিয়াবী জ্ঞানও নেই। যদি থাকতো তাহলে জানত যে মানুষের পরিচয় পত্রের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন সনদ আগে হয় এবং এরপর হয় ভোটার আইডি কার্ড। আর ভোটার আইডি কার্ড এ ভুল হওয়া একটি স্বাভাবিক বিষয়। এজন্যই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের সরকারী নীতিমালা রয়েছে। মজার বিষয় হচ্ছে- অনেক আগেই তাঁর ভোটার আইডি কার্ডও তাঁর আগের জন্ম নিবন্ধনের আসল কাগজ দেখিয়ে নির্বাচন অফিস থেকে সঠিক নাম সংশোধন করা হয়েছিল, যা তেমন কাউকে জানানো হয়নি। অথচ এই সকল অজ্ঞ-মূর্খরা নিজেদের অন্তরজ্বালা মেটাতে যা ইচ্ছা তাই বলে যাচ্ছে।
ইমাম মাহমুদ এর নামের বিষয়ে যদিও আগেই সমাধান দেওয়া হয়েছিল আমাদের পেজে যা এই পোস্ট এবং এতে দেওয়া লিঙ্কগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন-
www.facebook.com/share/p/17X2qwCFmJ/

এরপর তারা নারী ইভটিজিং ও জেল খাটার বিষয়ে বলে, যার ব্যাপারে ইলহামও আছে যে এটি একটি মিথ্যাচার এবং বিরোধী গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র। জমুনা টিভির সেই অপপ্রচারের বিষয়ে যখন সংশয় তৈরি হয় তখন ০৫/১১/২০২৩ তারিখে আসা একটি ইলহামেও এটি উল্লেখ হয়-
৭. মূলত তা ছিল চারজন পাপিষ্ঠদের ষড়যন্ত্র।
৮. আর তারা ছিল বর্তমান ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর অনুসারী।
৯. আর তুমি ছিলে তাদের বিরোধী গোষ্ঠির, যারা ইসলামের কথা বলতো অথচ তা মানতো না (জামাত শিবির)।
১০. হে লোক সকল! তোমরা কি উপলব্ধি করতে পারছ না, যাকে আল্লাহ মনোনীত করেন তার চরিত্রও আল্লাহ হেফাজত করেন।

কিন্তু তারা হয়তো আর ইলহামে বিশ্বাস করে না। মনে করে ইমাম মাহমুদ এর বানানো, কিন্তু তারা আবার একটা ইলহাম দেখিয়ে বলে আল্লাহ মাহমুদকে নিষেধ করেছে এরপরও নিষেধ মানে নি, এটা অপরাধ। এরা কতটা অজ্ঞ যে এটা বুঝতে পারে না যে ইলহাম মাহমুদ এর বানানো হলে কেন সে নিজের ইচ্ছার বিপরীত তথা যদি সেই ইচ্ছা ই থাকতো তাঁর যাতে সে নিষেধ মানবে না তাহলে কেন এই ইলহাম তৈরি করবে এবং সেটি আবার ঠিক ভাবে মানবেও না? ইলহাম নিজে বানালে তো নিজের ইচ্ছানুজায়ীই করবে তাই না? এরকম একটা ইলহামই তাহলে তিনি লিখত না। আসলে তারা নিজেদের কথার জালে নিজেরাই পেঁচিয়ে যায় সেটা এই শামিম গংরা বুঝতে পারে না। আদতে তারা যা বলে, যেসব যুক্তি দেয় বেশির ভাগই মিথ্যা বানোয়াট ও অপপ্রচার। তাদের এহেন কর্মকান্ডে বোঝা যায়- এত দিন তারা স্বার্থ হাছিলের জন্যই অনুসরণ করে গেছে। এখন তাঁরা সেই কর্মের দরুন চরম আকারে লাঞ্ছিত হয়েছে। এখন আর কি করবে। এটাই এখন হাতিয়ার।
অতঃপর, সেই ৪ জন ষড়যন্ত্রকারী, নারী ইফটিজিং ও জেল খাটার বিষয়ে পুরো ঘটনার আদ্যোপান্ত ইমাম মাহমুদ এর জীবনী ডকুমেন্টারিতে দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই। লিঙ্ক- www.youtube.com/watch?v=QkyGHrXxvEM

এছাড়া আবারো তাদের ইমাম মাহমুদকে নিয়ে নবী দাবীর অপব্যাখ্যাগুলো উল্লেখ করা যা বিভিন্ন অপপ্রচার কারীরা অনেক আগেই করেছিল। এগুলো দেখলেই বুঝা যায় এরা সেই আগের বিরোধিতাকারীদের কথাকেই হুবহু নিজেরা আবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে বলছে, সাথে আবার আল্লাহর কসম যুক্ত করে, নাউযুবিল্লাহ। তাদের নেই কোন ইসলামী শরীয়তী জ্ঞান, নেই দুনিয়াবী জ্ঞানও। তাই তাদের কথা ই এখন এদের পুঁজি। এছাড়াও আরো বিভিন্ন অভিযোগ যার কোন শেষ নেই। সাথে তাদের অভিনয় তো আছেই। মনে রাখবেন- দুষ্টু লোকের মিষ্টি কথা। তাই মিষ্টি কথা শুনে এসকল মিথ্যাবাদীদেরকে সঠিক মনে করলে বোকামী করবেন।

ইমাম মাহমুদ এর অনুসারীদের অনেকে তাদের অপপ্রচারের ভিডিও বা বার্তায় বলে থাকেন যে- এখনো সময় আছে সংশোধন হন, তাওবা করেন। আর তাদের এগুলো বলবেন না কেউ। যদি কেউ কিছু বলেনও, তাহলে তাদেরকে বলবেন- আপনারা আপনাদের মত চালিয়ে যান; আপনাদের কোন বিষয়েই আমরা উত্তর দিয়ে সময় নষ্ট করবো না, আপনারা আপনাদের কথিত হেদায়েত নিয়েই থাকেন।
তাদের কথায় শুধু অন্তরে নিফাক আছে এরকম লোকগুলোই পথভ্রষ্ট হবে, ছিটকে যাবে, আর এটা হওয়াই স্বাভাবিক। উলটা পারলে এদের বিষয়ে মনে মনে দোয়া করবেন যেন এরা এভাবেই থেকে যায়; কারণ এরা কাফেলাতে আসলে ফিতনা ছাড়া কিছুই করবে না। এদেরকে ইমাম মাহমুদ এর দরকার নেই।

অনেকে ভাববেন শামিমের বিষয়ে হাদিসের দলিল আছে। তাদের জানা উচিত আল্লাহ মুখাপেক্ষী না কারো উপর যে সে যাই করুক না কেন, আল্লাহর নামে মিথ্যা রচনা, মিথ্যা কথা বলা, বিদ্রোহ ইত্যাদি করুক আর যেহেতু দলিল আছে তাই আল্লাহ তাকে সেই হাদিস অনুযায়ী ফায়সালা করবে বা করতে বাধ্য। এটা কোন সময়ই সম্ভব নয়। ঈমান হেফাজতের দায়িত্ব যার যার। এটা আল্লাহ কারো জন্য বেধে দেয়নি। এমন কি ইমাম মাহমুদ এর ব্যাপারে আরো শক্ত দলিল আছে, কিন্তু কাল থেকে যদি সে নামাজ-রোজা ছেড়ে দেয় বা শিরকে ঢুকে যায়, আর দাবী করে তাকে মানতে হবে, সে আমীর। আল্লাহ কি তাকে ছেড়ে দিবে এজন্য যে তাঁর ব্যাপারে দলিল আছে? কোন সময়ই না। তাঁরও ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী চলতে হবে, তদানুজায়ী আমল করতে হবে।

অনেক লোকই এই জায়গাতে এসে চরমভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছে যে, হাদিসে আছে বলা, তাহলে এরকম কিভাবে হতে পারে? সাথে আরেকটি বিষয় তারা উল্লেখ করে যে- যেহেতু সুসংবাদ দেওয়া আছে তাহলে আল্লাহই তো তাদের ঈমান-আমল ও হেদায়েত এর হেফাজত করবেন, এরকম ভ্রষ্ট পথে পরিচালিত করবেন না। এটাই হচ্ছে শয়তানের অন্যতম বড় মন্ত্র পথভ্রষ্ট করার।
আসলে তারা কুরআন-হাদিস যথেষ্টভাবে অনুধাবন করেনি। কুরআনে বলা আছে-

"তোমার (মুহাম্মাদ সঃ এর) প্রতি এবং তোমার আগে যাদের প্রতি ওয়াহী করা হয়েছিল তাদের প্রতি ইতোমধ্যে ওয়াহী করা হয়েছে যে, তুমি যদি আল্লাহর সাথে অংশীদার করো, তবে তোমার সকল আমল নষ্ট হয়ে যাবে এবং তুমি অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" [সূরা আয-যুমার (৩৯:৬৫)]

সে (রসূল সঃ) যদি আমার নামে কিছু রচনা করে চালাতে চেষ্টা করত। তবে অবশ্যই আমি তার ডান হাত ধরে ফেলতাম এবং কেটে দিতাম তার জীবন-ধমনী। অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে তাকে রক্ষা করতে পারত। এই কুরআন আল্লাহভীরুদের জন্য অবশ্যই এক উপদেশ। [সূরা হাক্কাহ (৬৯:৪৪–৪৮)]
* উপরে দুই আয়াতে রসূল সঃ কে কঠিনভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে তিনি যেন জেনে শুনে ভুল পথে না যান; যদি যান তাহলে তাঁর জন্য এগুলো অবধারিত।

পরে (ইউনুস আঃ কে নৌকা হতে সমুদ্রে ঠেলে দেওয়া হলে) এক বিরাট মাছ তাকে গিলে ফেলল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগল। অতঃপর তিনি যদি আল্লাহর পবিত্ৰতা ও মহিমা ঘোষণাকারীদের অন্তর্ভুক্ত না হতেন, তাহলে সে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত মাছের পেটে থেকে যেত (সেভাবেই শাস্তি পেত)। [সূরাঃ আস-সাফফাত (৩৭:১৪২-৪৪)]

এছাড়াও নাবী ইউসুফকেও তাঁর ভুলের জন্য জেলখানায় আল্লাহর নির্ধারিত সময় থেকে অতিরিক্ত সময় থাকতে হয়েছিল তবে সে দ্রুতই তাওবা করে নিয়েছিল। [তাফসির ইবনে কাসীর, সূরা ইউসুফ ১২:৪২]

এসকল ঘটনা থেকেই বোঝা যায় যে, যেখানে নাবী-রসূলগণ কোন ভুল করলে তাদের আল্লাহ পাকড়াও করতেন। এরপর তাওবা না করা পর্যন্ত তাদেরকে তাদের অবস্থায় ছেড়ে রাখতেন কিংবা শাস্তি দিতেন। তাদেরকে কঠিনভাবে সতর্কও করে দিয়েছেন। যদি এরকম কিছু হতো তখন আল্লাহ কোন সময়ই দেখতেন না যে তাওরাতে রসূল সঃ নিয়ে কি বর্ণনা দেওয়া ছিল, আর ইঞ্জিলে কি ভবিষ্যৎবানী দেওয়া ছিল, কুরআনে বলা তিনি তাঁর এই ওয়াদা তখন ঠিকই বাস্তবায়ন করতেন। তাদেরকে আল্লাহ অনেক ভাবে হেফাজত করেছেন এটাও সঠিক তবে তাদের ভুলের কারণে শাস্তি পাওয়ার ঘটনাও কম নয়, এবং তারা কোন সময়ই ভুলের উপর অটল থাকতেন না, দ্রুতই তাওবা করে নিতেন। যা আমাদের জন্য বড় শিক্ষা। তারা কোথায় আর কোথায় এই শামিম ও তাঁর গং রা। এদেরকে আল্লাহ হেদায়েতের উপর রাখার জন্য কি ঠিকাদারী নিয়েছেন যদিও এরা অসৎ কর্ম করতেই থাকে? আপনাদের কি এই প্রশ্ন মাথায় জাগে না যে আল্লাহ অমুখাপেক্ষী? নাকি আপনারা আল্লাহকে এই শামিম গং দের মত মুখাপেক্ষী ভাবেন? নাউযুবিল্লাহ!

অতঃপর, তাদের অপপ্রচারের ভিডিওতে সেই কমেন্ট এর অংশটি আবারো উল্লেখ করছি, যাতে তাদের মুনাফিকি ফুটে উঠে এবং যেভাবে তাঁরা এ বিষয়ে হেদায়েত (!) পেয়েছিল তাঁর বর্ণনা পাওয়া যায়-

"আর এখন এদের যেসকল অভিযোগ সেগুলো সবই তো সেই মুনাফিকদের সাথে নিয়ে মিটিং এ (কিছু মাস আগে তথা ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে) ইমামকে জিম্মি করার আগের বিষয়। জিম্মি করে নাচতে নাচতে দায়িত্ব ভাগ করতে যায় ইমামের সামনেই; তাঁর কথা উপেক্ষা করে, তখন এগুলো মনে ছিল না? যে সে ভন্ডামী করছে। তার কাছে জোর করে কিসের নেশায় থাকতে চেয়েছিল সব মূর্খগুলো? পদের আর টাকার লোভে কি নয়? এটা কি দুমুখো মুনাফিকের কাজ না? তখন কি কারণে জিম্মি করে এত কাছের হতে গিয়েছিল যেখানে এখন জুয়েল মাহমুদ নামটাও অস্বীকার করে শুধু জুয়েল বলে প্রচার করছে? মিটিং এর সময় পর্যন্তও কি নাম কি সেটা জানা ছিল না? নাকি জিম্মি করা পর্যন্তই শুধু অন্ধ ভক্ত ছিল? এই অপরাধের পর দায়িত্বশীলগণ ও ইমাম মাহমুদ নিজে তাদের অন্যায়গুলো তুলে ধরে, ভুল গুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার পরও যখন এদেরকে কুকুরের মত তাড়িয়ে না দিয়ে একটু সম্মান দিয়েই বাড়ি পাঠিয়ে দিল। আর অমনি এদের অন্তর্দৃষ্টি(!) খুলে গেল? হেদায়েত পেয়ে গেল!! বিষয় টা খুবই হাস্যকর!"

এদের মত অন্ধভক্ত ও পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আমাদেরকে আল্লাহ হেফাজত করুন। আমীন। এদের বিষয়ে আর কোন লেখা দেওয়া হবে না। এটা শুধু মাত্র ইমাম মাহমুদ এর সাথী ভাইদের মধ্যে এ বিষয়ে সংশয় দূর করার জন্য। হয়তো সব বিষয়ে বিস্তারিত নেই তবে এতেই আশা করি সবাই বুঝতে পারবে যে, এই সকল মুনাফিকদের সাথে কথা বলে, তর্ক করে, এদের কু-যুক্তি খন্ডন করে সময় নষ্ট করার কোন মানে নেই। আর যারা কাফেলায় রয়েছেন তাঁরা তাদের দায়িত্বশীলদের থেকে দরকার হলে সরাসরি এদের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডগুলো জানার চেষ্টা করবেন, তবুও মনের মধ্যে সংশয় রাখবেন না।
... See MoreSee Less

34 CommentsComment on Facebook

@followers

অনেকের ত জিন এর সাথে সম্পর্ক থাকে তারা ত হাদিস দেখে জিন্ দের মাধ্যমে বৈধ সাহায্য নিয়ে গাজয়াতুল হিন্দ বিজয় করতে পারে।জিন দের মাধ্যমে ত অনেক হুজুর রা অনেক কাজ করে।গাজওয়াতুল হিন্দ ও ইমাম মাহমুদ

গত সাত বছর আগে সত্যের সৈনিক নামে একটি ফেসবুক আইডির সাথে আমার পরিচয় হয়। তিনি ইমাম মাহমুদ সম্পর্কে বিস্তারিত লেখালেখি করতেন। অতঃপর উনাদের প্রতি আমি খুবই আকৃষ্ট হই। তারপর উনার পোস্টগুলো আমি নিয়মিত সেয়ার করতাম, এবং মানুষজনকে ইমাম মাহমুদ সাহেব কিরান সম্পর্কে দাওয়াত দিতাম। কিছুদিন পর অনেকেই আমার কাছে এই ইমাম মাহমুদ সম্পর্কে হাদীসগুলোর মূল আরবী দলিল দেখতে চায় জানতে চায়। ওই সময় সত্যের সৈনিক ভাইয়ের কাছে দলিল চাইলে তিনি কিতাবুল ফিরদাউস এর বাংলা ভার্সন দিলেন। কিন্তু সবাই মূল আরবি ভার্সন চাচ্ছেন। অবশেষে খিলগাও চৌরাস্তার এক ভাই "MD Sohel" নামে যিনি ইমাম মাহমুদ এর সাথে গ্রেফতার হয়েছিলেন, তিনি কিতাবুল ফিরদাউস এর বাংলা ভার্সন এর ঠিকানা অনুযায়ী বড় মগবাজারে গিয়ে উদয়ন প্রকাশনী খুঁজতে থাকেন কিন্তু তিনি তন্ন তন্ন করে খুঁজেও পাননি। আমি বাংলাবাজারে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি কিন্তু পাইনি, বাংলা ভার্সন নেই অতঃপর আরবি ভার্সনটি পেয়ে যাই বাংলাবাজার ইসলামী টাওয়ারের গ্রাউন্ড ফ্লোরে মাক্তাবাতুল দারুছুন্নাহ্ নামের একটি বড় বইয়ের লাইব্রেরীতে তিন খন্ডে। অতঃপর আমি ওই কিতাবটির কয়েকটি ছবি উঠাই। অতঃপর আমি বড় মগবাজারে গিয়ে উদয়ন প্রকাশনী খুঁজতে থাকি বড় মগবাজার এলাকায় তন্ন তন্ন করে খুঁজেও উদয়ন প্রকাশনী পেলাম না দ্বিতীয়বার গিয়ে প্রায় ৮০ বছরের এক মুরব্বির সাথে এই বিষয়ে কথা বললাম উদয়ন প্রকাশনী নিয়ে তিনি বললেন তিনি নিজেও আগে এই বড় মগবাজারে প্রেস এর দোকানে চাকরি করতেন কিন্তু তিনি উদয়ন প্রকাশন নামে কোনো প্রকাশনী দেখেননি। আর তিনি ঐ এলাকায় প্রায় ৪০ বছর যাবত বসবাস করে করতেছেন। অতঃপর ইন্টারনেটে অনেক ঘাটাঘাটি করার পর আরবি ভার্সনটির পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে সক্ষম হই এবং বাংলা বাজার থেকে আসারুস সুনান বইটি কিনে নিয়ে আসি অতঃপর আসারুস সুনান বইটি আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবকে অনুবাদ করতে দিলাম, তিনি পুরো আসারুস সুনান বইটি তন্নতন্ন করে খুঁজেও ইমাম মাহমুদ কোনো সম্পর্কিত হাদিস পেলেন না বরঞ্চ এই বইটি সম্পূর্ণ নামাজ সংক্রান্ত হাদিস। আমাদের এলাকায় বড় একটি কামিল মাদ্রাসা আছে যেখানে মহিলা এবং পুরুষ শাখা দুইটাই আছে ওই মাদ্রাসাতে একটি রিসার্চ সেন্টার আছে সেখানে অনেক বড় বড় কিতাবও রিসার্চের জন্য রাখা আছে ওই রিসার্চ সেন্টারের প্রধান যিনি তার কাছেও আমি এই হাদিসগুলো দিলাম তিনি এই হাদিসগুলো পেলেন না। অতঃপর আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সাথে সবগুলো হাদিস নিয়ে কথা বললাম তিনি তার বন্ধুর কাছে পাঠিয়ে দিলেন মিশরের আজহার ইউনিভার্সিটি তে সেখানেও ইমাম মাহমুদ সম্পর্কিত একটি হাদিস ও পাওয়া গেল না। আমার ছোট ভাই আলিয়া মাদ্রাসার ফাজিলএ পড়ে, আমার কিছু মাদ্রাসা পড়ুয়া লোকজনের সাথে যোগাযোগ আছে। আমি নিজেও আরবি পড়তে পারি লিখতে পারি। অতঃপর আমি নিজে মাকতাবায়ে শামেলা ডাউনলোড করি। এই মাক্তাবা শামেলা ওয়েবসাইটে এবং সফট্ওয়ারে প্রায় বিশ হাজারের মতো কোরআন হাদিসের কিতাব রয়েছে সেইখানে আমি আরবীতে "امام محمود" "ইমাম মাহমুদ" লিখে সার্চ করি অতঃপর ইমাম মাহমুদ সম্পর্কিত কোন হাদীসই পাওয়া গেল না। আমি এই পর্যন্ত ইমাম মাহমুদ এর অনুসারীদের কাছে অনেকবার মূল আরবী গ্রন্থগুলো থেকে স্ক্রীনশট অথবা ছবি যুক্ত দলিল চেয়েছিলাম কিন্তু তারা দলিল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন আমি কি করে ইমাম মাহমুদকে বিশ্বাস করবো? সাহেব কিরানকে বিশ্বাস করবো? 👉তারা যেসমস্ত ইলহামের বাণী বিভিন্ন হাদিস প্রচার করত সবকিছু আমি ডকুমেন্ট আকারে আমার গুগল ড্রাইভে রেখে দিয়েছি চাইলে আপনারা এখান থেকে ডাউনলোড করে দেখতে পারেন। drive.google.com/folderview?id=1-f3deP3AHhodvHeReZvb1MUKDGaZw5De

View more comments

অনেকে ফিতনা বিষয়ক হাদিসগ্রন্থগুলো পড়ার জন্য খুঁজতে থাকেন। তাদের জন্য এ বিষয়ক বর্তমানে পিডিএফ করা যে সকল বইগুলো পাওয়া যায় তাঁর কিছু এখানে কালেকশন রাখা হয়েছে।

লিঙ্ক কমেন্টে
... See MoreSee Less

8 CommentsComment on Facebook

@followers

ভাই আপনারা হলেন ভন্ডের দল সাহেবে কিরাণ নিজেই বলতেছে আর আপনাদের ইমাম জেনাখোর আপনার আমির ভন্ড মিথ্যা বয়ান করে যেমন আপনার আমির বলেছেন ২০২৫ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে না হলে তাকে পরিত্যাগ করতে সব ভন্ডের দল তুদের নামে মামলা করা দরকার মানুষের এত ক্ষতি করেছিস যা ইহুদি খ্রিস্টানরা মিলে করতে পারে নাই তোদের কারণে যাদের যাদের সময় শ্রম পূজি অর্থ ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে তোদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুণ যথাসম্ভব গণদোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করুণ ধন্যবাদ

View more comments

ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ এর সাম্প্রতিক কিছু লেকচার পাবলিশ হয়েছে-

হেদায়েতের পথ | গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা | ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ
Youtube Link- youtu.be/HFUw_52l29k

দাওয়াত ও তাবলীগ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহর রসূল ﷺ এর ৪ দফা কর্মসূচি | আলোচনায় : ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ
Youtube : www.youtube.com/watch?v=txYBGsd2mAE

ইলম ও তা'লিম | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহর রসূল ﷺ এর ৪ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
YouTube Link - www.youtube.com/watch?v=qN25rm7FbXg

তাজকিয়াতুন নাফস | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহর রসূল ﷺ এর ৪ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
YouTube Link- www.youtube.com/watch?v=_vCxiLxVd4g

জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহর রসূল ﷺ এর ৪ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
Youtube Link- www.youtube.com/watch?v=0MuiFlBwpok

ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা | গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা | ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ
YouTube Link- www.youtube.com/watch?v=hhieXsF5VWA

-------------------------------------
ফেসবুকে সকল আলোচনা শুনতে-
www.facebook.com/imammahmudlecture

টেলিগ্রাম চ্যানেলে ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ এর সকল আলোচনা শুনতে-
t.me/imam_mahmud2
t.me/imammahmudlecture2

কাফেলার সকল কার্যক্রম দেখতে- linktr.ee/kafela_official
... See MoreSee Less

ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ এর সাম্প্রতিক কিছু লেকচার পাবলিশ হয়েছে-  হেদায়েতের পথ | গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা | ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ
Youtube Link- https://youtu.be/HFUw_52l29k  দাওয়াত ও তাবলীগ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহর রসূল ﷺ এর ৪ দফা কর্মসূচি | আলোচনায় : ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ
Youtube : https://www.youtube.com/watch?v=txYBGsd2mAE  ইলম ও তালিম | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহর রসূল ﷺ এর ৪ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
YouTube Link - https://www.youtube.com/watch?v=qN25rm7FbXg  তাজকিয়াতুন নাফস | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহর রসূল ﷺ এর ৪ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
YouTube Link- https://www.youtube.com/watch?v=_vCxiLxVd4g  জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ | দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহর রসূল ﷺ এর ৪ দফা কর্মসূচি | হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
Youtube Link- https://www.youtube.com/watch?v=0MuiFlBwpok  ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা | গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা | ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ
YouTube Link- https://www.youtube.com/watch?v=hhieXsF5VWA  -------------------------------------
ফেসবুকে সকল আলোচনা শুনতে-
https://www.facebook.com/imammahmudlecture  টেলিগ্রাম চ্যানেলে ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ এর সকল আলোচনা শুনতে-
https://t.me/imam_mahmud2
https://t.me/imammahmudlecture2  কাফেলার সকল কার্যক্রম দেখতে- https://linktr.ee/kafela_official

1 CommentComment on Facebook

শাহ নিয়ামতুল্লাহ এর কাশিদায় অলৌকিক দুটি নাম ইমাম মাহামুদ ও সাহেবে কিরান , আর এই নামকে পুঁজি করে শুরু হয় একটি যাত্রা.... জানতে দেখুন www.facebook.com/share/v/1K9VXvacmB/

View more comments

পাহাড়ি সন্ত্রাসী গুলো প্রকাশ্যে দেশ বিরোধী ও দেশ ভাগের কথা বলছে। অধিকাংশ জাতীয় মিডিয়াই গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করছে না।
পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা পার্বত্য তিন জেলাকে ভারতের সাথে যুক্ত করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
(News From উম্মাহের বার্তা)

বর্তমানে চট্টগ্রাম বিভাগের খাগড়াছড়ি জেলার অবস্থা ভায়াবহ পর্যায়ে রয়েছে।
... See MoreSee Less

1 CommentComment on Facebook

গভীর ষড়যন্ত্রের মধ্য নিপতিত বাংলাদেশ। তিন পার্বত্য জেলা হারাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ।

View more comments

youtu.be/nlTN9zUXAok?si=ihf-k4kjmoIZXLDc

চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করেন রাখুন নতুন আপডেট পেতে।
... See MoreSee Less

Video image

0 CommentsComment on Facebook

📜 সুনানে নাসায়ী, হাদীস নং ৩১৭৩

عَنْ سَبْرَةَ بْنِ أَبِي فَاكِهٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: ‏"‏ إِنَّ الشَّيْطَانَ قَعَدَ لِابْنِ آدَمَ بِأَطْرُقِهِ، فَقَعَدَ لَهُ بِطَرِيقِ الْإِسْلَامِ، فَقَالَ: تُسْلِمُ وَتَذَرُ دِينَكَ وَدِينَ آبَائِكَ وَآبَاءِ أَبِيكَ، فَعَصَاهُ فَأَسْلَمَ، ثُمَّ قَعَدَ لَهُ بِطَرِيقِ الْهِجْرَةِ، فَقَالَ: تُهَاجِرُ وَتَدَعُ أَرْضَكَ وَسَمَاءَكَ، وَإِنَّمَا مَثَلُ الْمُهَاجِرِ كَمَثَلِ الْفَرَسِ فِي الطِّوَلِ، فَعَصَاهُ فَهَاجَرَ، ثُمَّ قَعَدَ لَهُ بِطَرِيقِ الْجِهَادِ، فَقَالَ: تُجَاهِدُ فَهُوَ جَهْدُ النَّفْسِ وَالْمَالِ، فَتُقَاتِلُ فَتُقْتَلُ، فَتُنْكَحُ الْمَرْأَةُ، وَيُقْسَمُ الْمَالُ، فَعَصَاهُ فَجَاهَدَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فَمَنْ فَعَلَ ذَلِكَ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ قُتِلَ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ، وَإِنْ غَرِقَ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ، أَوْ وَقَصَتْهُ دَابَّتُهُ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ ‏"‌‏.‏

সাব্রা ইবনে আবি ফাকিহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
"নিশ্চয়ই শয়তান আদম সন্তানের জন্য তার সকল পথে ওঁৎ পেতে বসে থাকে।"

১. ইসলামের পথে:
সে তার জন্য ইসলামের পথে বসে বলে, "তুমি কি ইসলাম গ্রহণ করবে, আর তোমার ধর্ম এবং তোমার বাপ-দাদা ও পূর্বপুরুষদের ধর্ম ছেড়ে দেবে?" কিন্তু সে (আদম সন্তান) শয়তানের অবাধ্য হয়ে ইসলাম গ্রহণ করে।

২. হিজরতের পথে:
তারপর সে তার জন্য হিজরতের পথে বসে বলে, "তুমি কি হিজরত করবে, আর তোমার দেশ ও আকাশ ছেড়ে যাবে? হিজরতকারীর উদাহরণ হলো রশিতে বাঁধা ঘোড়ার মতো (যে এক স্থানে স্থির থাকতে পারে না)।" কিন্তু সে (আদম সন্তান) শয়তানের অবাধ্য হয়ে হিজরত করে।

৩. জিহাদের পথে:
তারপর সে তার জন্য জিহাদের পথে বসে বলে, "তুমি কি জিহাদ করবে? এটা তো জান ও মালের কষ্ট। তুমি যুদ্ধ করবে, ফলে নিহত হবে। তখন তোমার স্ত্রীকে অন্যে বিয়ে করবে এবং তোমার সম্পদ ভাগ করে নেওয়া হবে।" কিন্তু সে (আদম সন্তান) শয়তানের অবাধ্য হয়ে জিহাদ করে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "সুতরাং যে ব্যক্তি এগুলি করবে, মহান আল্লাহর উপর এটা তার অধিকার যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর যে নিহত হবে, মহান আল্লাহর উপর এটা তার অধিকার যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। যদি সে ডুবে যায়, তবে আল্লাহর উপর এটা তার অধিকার যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। অথবা যদি তার বাহন তাকে নিচে ফেলে দেয় (এবং সে মারা যায়), তবে আল্লাহর উপর এটা তার অধিকার যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।"
... See MoreSee Less

সাবধান সকল টেলিগ্রাম ইউজারগণ!
কিছু দিন যাবত টেলিগ্রাম আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করছে কিছু দুষ্কৃতিকারীরা।

হ্যাকিংটি তারা করছে ফিশিং অ্যাটাক এবং সেশন হাইজ্যাকিং এর মাধ্যমে। তারা সরাসরি আপনার আইডি হ্যাক করতে পারবে না কিন্তু একটি ফেইক টেলিগ্রাম লগিন স্ক্রিন দিয়ে আপনাকে লগিন করিয়ে তারা আপনার আইডিতে লগিন হয়ে যেতে পারে এবং আপনার আইডি এর সকল মেসেজ ও তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। তারা ফেইক লগিন দেখালেও এখানে টেলিগ্রাম এর এপিআই ও বোট লগিন সিস্টেম এর মাধ্যমে আপনার একাউন্টে সত্যিকারের লগিনের মত করে লগিন করাবে কিন্তু লগিন করার পরপরই আপনার মোবাইলে লগিন না হয়ে দূরবর্তী শত্রুদের মোবাইলে বা অন্য কোন ডিভাইসে লগিন করে ফেলবে।

তবে আপনি যদি তাদের এই চাল ধরে নতুন করে কোন লিঙ্ক বা সোর্স এ টেলিগ্রাম দিয়ে লগিন না করেন তাহলে তারা আর কিছুই করতে পারবে না। তাই কোন লিঙ্কে ক্লিক করলে যদি টেলিগ্রাম লগিন চায় তাহলে ভুলেও লগিন করবেন না।

এ বিষয়ে বিস্তারিত সামনে লেখা হবে ইনশা আল্লাহ।

আর যদি কেউ ভুল করে লগিন করে ফেলেন এবং একাউন্ট এখনো চালাতে পারছেন তাহলে দ্রুত টেলিগ্রাম সেটিং থেকে ডিভাইসে যান এবং আপনার ডিভাইস বাদে অন্য অপরিচিত যেকোনো ডিভাইস মুছে দিন।

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল - t.me/gazwatulhind_imammahmud2

আমাদের সকল কার্যক্রম লিংক - linktr.ee/kafela_official
... See MoreSee Less

সাবধান সকল টেলিগ্রাম ইউজারগণ!
কিছু দিন যাবত টেলিগ্রাম আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করছে কিছু দুষ্কৃতিকারীরা।  হ্যাকিংটি তারা করছে ফিশিং অ্যাটাক এবং সেশন হাইজ্যাকিং এর মাধ্যমে। তারা সরাসরি আপনার আইডি হ্যাক করতে পারবে না কিন্তু একটি ফেইক টেলিগ্রাম লগিন স্ক্রিন দিয়ে আপনাকে লগিন করিয়ে তারা আপনার আইডিতে লগিন হয়ে যেতে পারে এবং আপনার আইডি এর সকল মেসেজ ও তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। তারা ফেইক লগিন দেখালেও এখানে টেলিগ্রাম এর এপিআই ও বোট লগিন সিস্টেম এর মাধ্যমে আপনার একাউন্টে সত্যিকারের লগিনের মত করে লগিন করাবে কিন্তু লগিন করার পরপরই আপনার মোবাইলে লগিন না হয়ে দূরবর্তী শত্রুদের মোবাইলে বা অন্য কোন ডিভাইসে লগিন করে ফেলবে।  তবে আপনি যদি তাদের এই চাল ধরে নতুন করে কোন লিঙ্ক বা সোর্স এ টেলিগ্রাম দিয়ে লগিন না করেন তাহলে তারা আর কিছুই করতে পারবে না। তাই কোন লিঙ্কে ক্লিক করলে যদি টেলিগ্রাম লগিন চায় তাহলে ভুলেও লগিন করবেন না।  এ বিষয়ে বিস্তারিত সামনে লেখা হবে ইনশা আল্লাহ।  আর যদি কেউ ভুল করে লগিন করে ফেলেন এবং একাউন্ট এখনো চালাতে পারছেন তাহলে দ্রুত টেলিগ্রাম সেটিং থেকে ডিভাইসে যান এবং আপনার ডিভাইস বাদে অন্য অপরিচিত যেকোনো ডিভাইস মুছে দিন।  আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল - https://t.me/gazwatulhind_imammahmud2  আমাদের সকল কার্যক্রম লিংক - https://linktr.ee/kafela_official

আমরা চলেছি এক প্রতিশ্রুতির দিকে, জান্নাত আমাদের ঠিকানা || কাফেলা || BY GAZWATUL HIND AND IMAM MAHMUD

Video link- www.youtube.com/watch?v=9_H5VwmThtY
... See MoreSee Less

আমরা চলেছি এক প্রতিশ্রুতির দিকে, জান্নাত আমাদের ঠিকানা || কাফেলা || BY GAZWATUL HIND AND IMAM MAHMUD

Video link-
... See MoreSee Less

Video image

1 CommentsComment on Facebook

নতুন আরবী বছর ১৪৪৭ হিজরী শুরু হলো। ... See MoreSee Less

8 CommentsComment on Facebook

@followers আমাদের সকল কার্যক্রম- linktr.ee/kafela_official

হিজরি ১৪৪৮ সালে হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। আজ থেকে কাউন্টডাউন শুরু।

আলহামদুলিল্লাহ

View more comments

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
সকল মুসলিম ভাই ও বোনদেরকে গাজওয়াতুল হিন্দের আল্লাহর মনোনিত আমীর, আমীরুল মুজাহিদীন, ইমাম মাহমুদ হাবিবুল্লাহ এর পক্ষ থেকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক! 🌙✨
আনন্দ, ভালোবাসা ও শান্তিতে ভরে উঠুক সবার ঈদ। আল্লাহ আমাদের সবার কুরবানী, ইবাদত কবুল করুন এবং এই পবিত্র দিনটিকে রহমত ও বরকতে পরিপূর্ণ করুন, আমিন।

تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
"তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"।
... See MoreSee Less

3 CommentsComment on Facebook

আমিন

আমীন

আল্লাহর এই মনোনীত আমির উনার নাম কি ভাই?

View more comments

এরকম কথা বাংলাদেশের কোন আলেমদের মুখ দিয়ে বের হবে না হয়তো! আল্লাহ ইসলামের জন্য যে জেনারেলদেরকেই মনোনীত করতেছেন সেটা সহজেই এখন বুঝা যাচ্ছে। জেনারেলরাই ইসলাম শিখে এখন আলিম হচ্ছে। এরাই ভবিষ্যতে হবে প্রকৃত আলিম (জ্ঞানী)। ... See MoreSee Less

9 CommentsComment on Facebook

আল্লাহু আকবর

Masha Allah

অসাধারণ

View more comments

ভারতেও চলছে গাজওয়াতুল হিন্দ নিয়ে আলোচনা। চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। বিশ্লেষক নিঝুম মজুমদার দ্বারা, যে হচ্ছে আওয়ামীলীগ এর খাস দালাল এবং ভারত সরকারের খাস অনুরাগী ও মারাত্মক পর্যায়ের ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক।

তবে ভিডিওতে এই দলের পরিচয় হিজবুত তাহরীর নাম যে দিয়েছে এটা দেখে হিজবুত তাহরীর লোকেরাও আকাশ থেকে পরবে। কারণ এদের সাথে তো এই বৈশিষ্ট্যই মিলে না। আর ভিডিওতে দেখানো তথ্য তো এদের নয়ই।

সবচেয়ে মজার বিষয়টা আপনাদের বলি, এটা একটি সত্য ঘটনা-
হিজবুত তাহেরীর নামক দল যেটির মূল কেন্দ্র অন্য আরেকটি দেশে হলেও বাংলাদেশে অনেক শিক্ষিত অনুসারী রয়েছে। শিক্ষিত বলতে যাদের বেশির ভাগ জেনারেল শিক্ষিত, মাদ্রাসা শিক্ষিত নয় এবং এদের মূল চেনার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা দাড়ি রাখবে ছোট ছোট বা ক্লিন সেভ এবং টাখনুর নিচে প্যান্টের কাপড় ঝুলানো থাকবেই, এবং বিড়ি-সিগারেট খাওয়া নিয়েও দল থেকে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই, যেমন খুশি তেমন চলার স্বাধীনতা রয়েছে যার অনেক কিছু ইসলাম সাপোর্টই করে না; কারণ তাদের যুক্তি- যা ঠিক করা দরকার এখন এগুলো মতানৈক্য না করে ইসলাম কায়েমের পর এগুলো ঠিক করবে ইসলামী নিয়মে এখন এগুলো বলে বলে লোকজন বিভক্ত হওয়া উচিত নয়, এগুলো দিয়ে লোকজন বিভক্ত হবে, দূরে সরে যাবে। তারা চিরকালই একটি কথা বলে এসেছে যে-
we are not violent, we don't like violence (এরা শিক্ষিত তো তাই ইংরেজি বেশি বলে, তাই ইংরেজি বক্তব্যটাই লিখলাম)

এরা এভাবে বলতো যে আমরা দেশের অন্যান্য জি-হা-দি দলের মত সশস্ত্র দল না, আমরা যুদ্ধ করে বিজয় চাই না। এবং এগুলো পছন্দ করি না (অর্থাৎ, বাতিলের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চায়, নিজেদের ভালো প্রমান করতে চায় তাদের উপর দোষ দিয়ে)। আর বলে- আমাদের কৌশল দেশের সেনাবাহিনী তথা প্রশাসনকে দাওয়াত দিয়ে এপথে নিয়ে আসা, তারা যুদ্ধ করবে (ভালো কথা, মানে তারা অস্ত্র ধরবে না, কিন্তু তারা খলীফা ও সহযোগী হবে)। আমে-রিকা যেভাবে কৌশল করে রাজনীতি বদলায় সেভাবে রাজনীতি বদলানো দাওয়াত ও কৌশল এর মাধ্যমে।

আর আল্লাহর কি ইচ্ছা, এদেরকেই এখন সকলে সামনে টেনে আনে সশস্ত্র দল হিসেবে। এভাবেই এরা বারে বারে- আমরা সশস্ত্র না, আমরা শান্তিপূর্ণ বলে চিল্লাচ্ছে, অন্যদের (সশস্ত্র দলগুলোকে) দোষ দিচ্ছে এখন নিজেরাই সেই দোষে আক্রান্ত। আর এখন এদের থেকে সফলতার 'স' অক্ষরও এখন খুঁজে পাওয়া যায় না।
তাই আগে উচিত নিজে পরিপূর্ণ ইসলাম পালনে সচেষ্ট হয়ে সঠিক নিয়ত ও পন্থা বাছাই করে এগিয়ে যাওয়া। তা নাহলে এভাবেই যতই তাল মিলিয়ে চলতে চেষ্টা করুক, পারবে না।

ইউটিউব লিঙ্ক- www.youtube.com/live/VeP1mL3b_s0?si=SXWT6A5P7p_tYpYp
... See MoreSee Less

Load more