ইমাম মাহমুদ এর কাফেলা - দাওয়াহ বই
এখন সরাসরি অনলাইনে পড়ুন:
www.gazwatulhind.site/docs/imam-mahmud-er-kafela
অথবা-
www.gazwatulhind.com/docs/imam-mahmud-er-kafela ... See MoreSee Less
- likes 0
- Shares: 0
- Comments: 0
0 CommentsComment on Facebook
ইমাম মাহমুদ এর কাফেলা
পরিবেশনায় : দাওয়াহ বিভাগ
পিডিএফ আকারে বইটি ডাউনলোড করুন :
সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে- dl.gazwatulhind.com/file.php?id=Imam_Mahmud_Er_Kafela_pdf
টেলিগ্রাম লিঙ্ক- t.me/imam_mahmud2/161
গুগল ড্রাইভ লিঙ্ক- drive.google.com/file/d/1pK5qSS9r_Ibb1ICdTQHfAt_lfpn_YBFj/view?usp=sharing
সকল বই ডাউনলোড করুন-
dl.gazwatulhind.com
dl.gazwatulhind.site
গুগল ড্রাইভ ফোল্ডার লিঙ্ক- drive.google.com/drive/u/0/folders/1brLsBFlb49LgpypnHByUVFStUQ4xKx1l
কাফেলা কার্যক্রম- linktr.ee/kafela_official ... See MoreSee Less

1 CommentComment on Facebook
@followers
আমরা কি তাহলে পারমাণবিক যুদ্ধ দেখতে চলেছি?
আমরা কি সেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্পূর্ণ সাক্ষী হতে যাচ্ছি?
যদি তা ঘটে তাহলে বুঝতে হবে সেই সময় চলে এসেছে যখন পৃথিবীর তিন ভাগের দুই ভাগ মানুষ মারা যাবে, এক ভাগ বেঁচে রইবে!!
বর্বর ট্রাম্পের টুইট থেকে তারই ইঙ্গিত এখন পাওয়া যাচ্ছে।
"আজ রাতে একটি আস্ত সভ্যতা শেষ হয়ে যাবে": ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ইরান যদি তাঁর দেওয়া শর্ত বা আল্টিমেটাম না মেনে নেয়, তবে আজ রাতেই সেখানে বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক সামরিক হামলা চালানো হতে পারে। "৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও মৃত্যুর অবসান": তিনি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব পরবর্তী ইরানের শাসনব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে দাবি করেছেন যে, এই দীর্ঘ সময়ের দুঃশাসনের অবসান ঘটতে চলেছে।
ট্রাম্পের বর্তমান ও সাবেক উপদেষ্টা মহলে উদ্বেগ বাড়ছে যে, প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর পরমাণু হামলার নির্দেশ দিয়ে বসতে পারেন।
(দ্য গার্ডিয়ানের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।) ... See MoreSee Less



4 CommentsComment on Facebook
আল্লাহর রাসুলুল্লাহ সাঃ তো বলেই গেছেন কেয়ামতের পূর্বে মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংস হবে।
আমার মনে হয় পারমাণবিক হামলা ১৪৪৮ হিজরীতে ভারত পাকিস্তানে হামলা দিয়ে শুরু হবে পারমাণবিক যুদ্ধ
হাদিস কি সহিহ? সত্যতা কি
শীঘ্রই আসছে! ইমাম মাহমুদ এর কাফেলা -দাওয়াহ বই
এতে বিষয় হিসেবে রয়েছে প্রতিটি মুসলিমের করনীয় ও বর্জনীয়।
প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব ও কর্তব্য-
* লক্ষ্য-উদ্দেশ্য জানা
* অসংখ্য জামায়াত থেকে সঠিক জামায়াতটি বাছাই
* জামায়াতের মানহাজ, মাযহাব ও আকীদা জানা
* দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য সঠিক ও সফল পদ্ধতি বিশ্লেষণ
* একই মানহাজের জামায়াতের মধ্যে সঠিকটি বাছাই
* জামায়াতের নেতা সম্পর্কে যা জানা দরকার
* ইমাম মাহমুদ এর কাফেলা ও তার আমীরের বিষয়ে বিস্তারিত
* জামায়াতে যুক্ত হওয়া ও দ্বীন কায়েম বিষয়ে আলোচনা ... See MoreSee Less

12 CommentsComment on Facebook
আমাদের ছিলো ইসলামী খিলাফাহ || Nasheed || From SHABAB AL HIND
... See MoreSee Less

3 CommentsComment on Facebook
কাফেলা কর্তৃক আয়োজিত ইসলামী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬ এ ইমাম মাহমুদের বক্তব্য
(লিঙ্ক কমেন্টে) ... See MoreSee Less
7 CommentsComment on Facebook
আমরা কি চাই, কেন চাই, কিভাবে চাই?
বিস্তারিত লেখার লিঙ্ক কমেন্টে। ... See MoreSee Less
1 CommentComment on Facebook
বিস্তারিত লেখ লিঙ্ক- gazwatulhind.site/docs/amra-ki-chai-keno-chai-kivabe-chai/
আবারো সারা বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দামামা!
এটাই কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা? ... See MoreSee Less
6 CommentsComment on Facebook
আমার মত... তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলমান... এখন শুধু দিন পেরুলেই এটার ভয়াবাহতা বৃদ্ধি পাবে...আর পারমাণবিক উইপেন ব্যবহারের মধ্য দিয়ে এটার চূড়ান্ত পরিণতি ঘটবে ৷ এখন শুধু বৈশ্বিক সমীকরণ তৈরি হবে যেটাকে দুইপাক্ষিক মেরুকরণ বলা যায়.... বাকিটা আল্লাহু আলাম
না ইরাণ ধ্বংস হয়ে যাবে তারপর তুরস্ক ও পাকিস্তান
সবাইকে রমাদান মুবারক!
১৪৪৭ হিজরীর রমাদানের ক্যালেন্ডার কমেন্টে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ... See MoreSee Less
4 CommentsComment on Facebook
ডেমো ইমেজ
ওয়েবসাইটে দেখুন- www.gazwatulhind.site/posts/1289/ হাই কুয়ালিটি ইমেজ ডাউনলোড করুন- dl.gazwatulhind.site/works/2026_ramadan_calender_HQ.jpg মিডিয়াম কুয়ালিটি ইমেজ ডাউনলোড করুন- dl.gazwatulhind.site/works/2026_ramadan_calender_MQ.jpg
এই উগ্র ভন্ডামির পজ টি চালায়, নাইম ( আখের) তার বর্তমান অবস্থান প্রশাসন এর নজরদারিতে
**আমরা কি চাই কেন চাই কিভাবে চাই**
লেখকঃ হাবীবুল্লাহ মাহমুদ
দীর্ঘ কণ্টকময় পথ অতিক্রম করে এগিয়ে যাচ্ছে ইমাম মাহমুদের কাফেলা।
ইমাম মাহমুদের এই কাফেলা কি চায়, কেন চায়, কিভাবে চায় এই প্রশ্নগুলো যেন প্রতিটি মানুষের অন্তরে। অনেকে জানেন কম বেশি। আবার অনেকে ঠিকভাবে জানেন না।
ইমাম মাহমুদের কর্মপদ্ধতি কি, কর্মসূচি কি এগুলো জানার জন্য অসংখ্য মানুষ সব সময় উৎসুক থাকে।
তাই এবার তারই লেখা একটি বই, যাতে তার চাওয়া-পাওয়া, কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই বার্তার মাধ্যমেই একজন লোক জানতে পারবেন আসলেই কি এই জামায়াত হকের দিকে চলছে নাকি বাতিলের দিকে। সাথে এই বার্তার মাধ্যমে একই লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মপদ্ধতি বুকে লালন করা লোকজন পাবে তাদের সঠিক ঠিকানা। আর সেই ঠিকানাই হচ্ছে ইমাম মাহমুদের কাফেলা।
সরাসরি ডাউনলোড- dl.gazwatulhind.com/file.php?id=Amra_Ki_Chai_Keno_Chai_Kivabe_Chai_pdf
গুগল ড্রাইভ লিঙ্ক- drive.google.com/file/d/1QI9gBjfpeQM-1AoH4CNXtcZBtivm9xxh/view?usp=drive_link
ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ এর সকল বই ডাউনলোড করুনঃ
DL.GAZWATULHIND.SITE
অথবা
DL.GAZWATULHIND.COM
গুগল ড্রাইভ ফোল্ডার লিঙ্ক- drive.google.com/drive/folders/1brLsBFlb49LgpypnHByUVFStUQ4xKx1l?usp=drive_link
টেলিগ্রামে সকল আপডেট আগে পেতে যুক্ত হনঃ
* ইমাম মাহমুদ - IMAM MAHMUD - t.me/imam_mahmud2
* গাজওয়াতুল হিন্দ ও ইমাম মাহমুদ || Gazwatul Hind and Imam Mahmud - t.me/gazwatulhind_imammahmud2
* শাবাব আল হিন্দ : t.me/ShababAlHindChannel
* IMAM MAHMUD LECTURES ।। ইমাম মাহমুদ লেকচার - t.me/imammahmudlecture2
* পাবলিক গ্রুপ লিংক - t.me/gazwatul_hind2 ... See MoreSee Less

2 CommentsComment on Facebook
তরজমায়ে সূরহ মুহাম্মাদ -হাবীবুল্লাহ মাহমুদের লেখা একটি বইয়ের পর্যালোচনা
... See MoreSee Less

তরজমায়ে সূরহ মুহাম্মাদ -হাবীবুল্লাহ মাহমুদের লেখা একটি বইয়ের পর্যালোচনা - গাজওয়াতুল হিন্দ
www.gazwatulhind.site
নাহমাদুহূ ওয়া নুছল্লী ‘আলা রসূলিহিল কারীম। আম্মা বা’আদ; আস সালামু আলাইকুম ...0 CommentsComment on Facebook
Nasheed of Sahaba - Reels/Short
Youtube- www.youtube.com/watch?v=RWyLh_ydaDQ ... See MoreSee Less
0 CommentsComment on Facebook
যুগে যুগে মুনাফিকরা থাকবে কিন্তু যেসব বৈশিষ্ট্য তাদের মাঝে থেকেই যাবে || SURAH MUNAFIQUN আলোচনা
ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখার পর মুনাফিকদের আখলাক-আচারণ, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি সম্পর্কে একটি বিশদ জ্ঞান পাওয়া যাবে আশা করি। এবং এরকম চরিত্রের লোকদের চিহ্নিত করে তাদের থেকে বেঁচে থাকা যাবে ইনশা আল্লাহ।
সকলে শেয়ার করবেন, ইনশা আল্লাহ। ... See MoreSee Less
1 CommentComment on Facebook
@followers
যুগে যুগে মুনাফিকরা থাকবে কিন্তু যেসব বৈশিষ্ট্য তাদের মাঝে থেকেই যাবে
লিঙ্ক- ... See MoreSee Less

1 CommentComment on Facebook
@followers
সাহাবীদের নাশিদ || রণসঙ্গীত || Battle Chant || Bangla Translation by GAZWAH E HIND Media
লিঙ্ক- ... See MoreSee Less

1 CommentComment on Facebook
@followers
** তরজমায়ে সূরহ মুহাম্মাদ (প্রথম পর্ব) -হাবীবুল্লাহ মাহমুদ **
ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ এর লিখিত নতুন বই পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করুনঃ
ডিরেক্ট ডাউনলোড- dl.gazwatulhind.site/file.php?id=Tarjama_E_Surah_Muhammad_pdf
আল্টারনেটিভ লিঙ্ক- dl.gazwatulhind.com/file.php?id=Tarjama_E_Surah_Muhammad_pdf
গুগল ড্রাইভ লিঙ্ক- drive.google.com/file/d/1i28T6y3hWwQpinR1inh9P15G4V1WyzVi/view?usp=drive_link
টেলিগ্রাম লিঙ্ক - t.me/imam_mahmud2/107
ইমাম মাহমুদ হাবীবুল্লাহ এর সকল বই ডাউনলোড করতে ভিজিট করুন-
dl.gazwatulhind.com
অথবা
dl.gazwatulhind.site
গুগল ড্রাইভ লিঙ্ক-
drive.google.com/drive/u/0/folders/1brLsBFlb49LgpypnHByUVFStUQ4xKx1l ... See MoreSee Less

3 CommentsComment on Facebook
"যুগে যুগে মুনাফিকরা থাকবে কিন্তু তাদের এই বৈশিষ্ট্য তাদের মাঝে থেকেই যাবে, এগুলো জেনে রাখা খুবই জরুরী যাতে এদেরকে আগে থেকেই চেনা যায়। যারা এই বৈশিষ্ট্যগুলো জানে না, তারা সহজেই তাদের কথায় প্রভাবিত হয়ে যেতে পারে। মনে করতে পারে তারা তো ভালো কথাই বলছে, আদতে সেগুলো শয়তানের ফাদ"
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
৬৩ নং সূরাহ | সূরাহ মুনাফিকূন
নাযিল : মাদীনাহ, আয়াত ১১ টি।
=> মিথ্যাবাদী মুনাফিক, মিথ্যাবাদী মুসলিম হতে পারে না
63:1 নং আয়াহ : যখন তারা আপনার কাছে আসে, তখন বলে- “আমরা সাক্ষী দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসূল”। আল্লাহ জানেন নিশ্চয়ই আপনি তার রাসূল। আর আল্লাহ সাক্ষী [58:6] দিচ্ছেন যে, “মুনাফিকরা [4:145] মহা মিথ্যাবাদী” [59:11]।
# মুনাফিকরা মিথ্যাবাদী। সুতরাং কোনও মুসলিম মিথ্যা বলতে পারে না। কেননা, মিথ্যা বলা মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য। সুবিধার জন্য দেখতে পারেন 68:35 আয়াহ। এছাড়াও মুনাফিকরা ফাসেকও [9:67] (ফাসেক হচ্ছে তারা যারা প্রকাশ্যভাবে বিভিন্ন হারামে, গুনাহে লিপ্ত থাকে)
=> মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য
63:2 নং আয়াহ : তারা তাদের শপথ গুলোকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার [58:16, 58:18] করে। অতঃপর তারা মানুষকে আল্লাহর পথে (আসতে/ চলতে) বাধা সৃষ্টি করে। নিশ্চয়ই তারা যা করছে, তা খুবই নিকৃষ্ট কর্ম [58:16]।
=> কখন অন্তর সমূহে মোহর মারা হয়??
63:3 নং আয়াহ : ওটা এজন্য যে, তারা ঈমান আনার পর সত্য অস্বীকার করেছে। অতঃপর তাদের অন্তর সমূহের উপর মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে [16:106-108]। অতএব এজন্য তারা (সত্য) বুঝতে পারে না।
=> মুনাফিকদের আরও কিছু বৈশিষ্ট্য
63:4 নং আয়াহ : আর যখন আপনি তাদের দিকে তাকাবেন, তখন তাদের দেহের ভাবভঙ্গি আপনাকে মুগ্ধ করবে। যখন তারা কথা বলে, তখন আপনি তাদের কথা আগ্ৰহ নিয়ে শোনেন কিন্তু তারা আসলে দেওয়ালে ঠেক দেওয়া কাঠের টুকরা (১) তারা ভাবে প্রতিটি শব্দ তাদের বিরুদ্ধে (২) তারাই শত্রু। তাদের থেকে সতর্ক হোন। তাদের আল্লাহ ধ্বংস করবেন। তারা বিভ্রান্ত হয়ে কোথায় যাচ্ছে??
১. অর্থাৎ আপনি তাদেরকে গুরুত্ব দিলেও তারা বাস্তবে কোনও কাজে আসবে না, তারা দেওয়ালে হেলাল দেওয়া কাঠের টুকরার মতো।
# তাদেরকে এ জন্যও “দেওয়ালে হেলান দেওয়া কাঠের টুকরা” বলা হচ্ছে- কেননা, তারা তাদের নিজস্ব বিচার বুদ্ধির ব্যবহার (8:22) করে না। অন্যের উপর নির্ভরশীল।
২. যেমন, আমরা শত্রুর মুখে উচ্চারিত কথাবার্তাকে নিজেদের বিরুদ্ধে আলোচিত মনে করি।
অন্যত্র তাফসীরে এসেছে- তুমি যখন তাদের দিকে তাকাও তখন তাদের শারীরিক গঠন (১) তোমাকে চমৎকৃত করে। আর যখন তারা কথা বলে তখন তুমি তাদের কথা আগ্রহ ভরে শুন(২), অথচ তারা দেয়ালে ঠেস দেয়া কাঠের মত (৩) (দেখন- সুরত, কিন্ত কার্যক্ষেত্রে কিছুই না)। কোন শোরগোল হলেই তারা সেটাকে নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে(৪) (কারণ তাদের অপরাধী মন সব সময়ে শঙ্কিত থাকে- এই বুঝি তাদের কুকীর্তি ফাঁস হয়ে গেল)। এরাই শত্রু, কাজেই তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাক। এদের উপর আছে আল্লাহর গযব, তাদেরকে কীভাবে (সত্য পথ থেকে) ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে! (সূরা মুনাফিকুন, আয়াত ৪, অনুবাদ -তাইসিরুল)
(১) অর্থাৎ, তাদের সৌন্দর্য, লাবণ্য, সজীবতার কারণে।
(২) অর্থাৎ, ভাষার বিশুদ্ধতা এবং বাকপটুতার কারণে।
(৩) অর্থাৎ, তারা তাদের দেহের উচ্চতা, সৌন্দর্য ও শ্রীতে এবং বোধহীনতা ও কল্যাণ স্বল্পতায় ঐরূপ, যেরূপ দেওয়ালে ঠেকানো কাঠ। দর্শককে তা দেখতে ভাল লাগে, কিন্তু কারো কোন উপকারে আসে না। অথবা এটা ‘মুবতাদা মাহযুফ’ (ঊহ্য উদ্দেশ্য) এর বিধেয়পদ। অর্থ হল, এরা রসূল (সাঃ)-এর মজলিসে ঐভাবে বসে, যেমন প্রাচীরে ঠেকানো কাঠ। এরা না কোন কথা শোনে, না বোঝে। (ফাতহুল ক্বাদীর)
(৪) অর্থাৎ, এরা এত ভীরু যে, কোন শোরগোল বা হট্টগোল শুনলেই মনে করে, তাদের উপর কোন বিপদ এসে পড়ছে। কিংবা এই ভেবে আতঙ্কিত হয়ে ওঠে যে, হয়তো তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। যেমন, চোর ও অপরাধীদের মন অভ্যন্তরীণভাবে সব সময় ধুক্পুক্ করতে থাকে। ‘চোরের মন পুলিশ পুলিশ!’ (তাফসীরে আহসানুল বায়ান)
উমর (রাঃ) বলেন-
إِنَّمَا أَخَافُ عَلَى هَذِهِ الْأُمَّةِ كُلَّ مُنَافِقٍ عَلِيمِ اللِّسَانِ
“আমি এই উম্মাহর জন্য সবচেয়ে বেশি ভয় করি—সেই মুনাফিককে, যে জিহ্বায় খুবই দক্ষ (বাকপটু)।”
(সুনান আদ-দারেমি: ১১০; মুসান্নাফ ইবন আবি শাইবা: ৩৪৪৮৯; মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক: ২০৭৬১)
ব্যাখ্যা:
مُنَافِق - অন্তরে কুফর, বাহিরে ইসলাম
عَلِيمِ اللِّسَان - কথায় পারদর্শী, মিষ্টি মিষ্টি কথা দিয়ে মানুষকে (দুর্বল ঈমানদারদের) প্রভাবিত করতে সক্ষম
উমর (রাঃ)-এর ভয় ছিল অস্ত্রধারী শত্রু নয় বরং কথার জাদু দিয়ে (বাকপটু মুনাফিক) দ্বীনকে বিকৃত করা লোকদের থেকে।
ইমাম হাসান আল-বসরী (রহ.) বলেন :
“তারা কথা বলে হিকমাহর মতো, কিন্তু কাজ করে শয়তানের মতো।”
(হিলইয়াতুল আওলিয়া 2/147)
তাদের বিভিন্ন কাজের মধ্যে রয়েছে- মূর্খ-ফাসিক লোকদের উস্কানি দেওয়া, লোকদের হকের বিরোধিতায় লিপ্ত করা। হকের বিরোধিতা করতে যেয়ে শত মিথ্যা হলেও বলবে, এমনকি তাগুতের হয়ে তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে হকের বিরোধিতা করার জন্য, তাতে সে মুরতাদ-কাফের হলো নাকি তা দেখে না। এমনকি হকের বিরোধিতাকে জীবন-মৃত্যুর বিষয় বানিয়ে নেয় যার জন্য এরা মরতেও রাজি। হককে ধ্বংস করতে নিজেরা ধ্বংস হতেও রাজি। ইতিহাসে মুসলিম জামায়াহ এর যত বড় বড় ক্ষতি হয়েছে তাঁর অন্যতম কারণ এই মুনাফিক শ্রেণী। কারণ এরা বাতিলের সাথে যখন তখন হাত মিলিয়ে ঈমানের শেষ অংশও বিক্রি করে দেয় আর মুসলিমদের বিরুদ্ধে বাতিলকে সাহায্য করে থাকে। এজন্যই এদের জন্য আল্লাহ জাহান্নামে প্রস্তুত রেখেছেন আলাদা স্থান, যে স্থানকে বলা হয় জাহান্নামের নিন্মতম স্থান- দারকুল আসফাল। ‘দারকুল আসফাল’ বা নিম্নতম স্তর কি এ সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সেটা হবে বদ্ধ সিন্ধুক। [মুসান্নাফে ইবন আবী শাইবাহঃ ১৩/১৫৪, নং ১৫৯৭২] আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘দারকুল আসফাল’ হচ্ছে, এমন কিছু ঘর যেগুলোর দরজা বন্ধ করা আছে। আর সেগুলোকে উপর ও নিচ থেকে প্রজ্জলিত করা হবে। [আত-তাফসীরুস সহীহ] ইবন আব্বাস বলেন, এর অর্থ, জাহান্নামের নীচে থাকবে। [তাবারী]
63:5 নং আয়াহ : এবং যখন তাদেরকে বলা হয়- “এস, আল্লাহর রসূল তোমাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করবেন”। তখন তারা মাথা গুলো নাড়ায় (১) আপনি দেখবেন যে, তারা অহংকারে (আপনার কাছে আসা হতে) বিরত থাকে।
১. কারণ তারা ভীতু। মাথা নাড়িয়ে অস্বীকৃতি জানায়। কেননা, তারা সামনা সামনি সত্য বলার সাহস নেই যে, আমরা আল্লাহর রাসূলের কাছে যাবো না!
* মুনাফিকদের আরেক বৈশিষ্ট্য যেমন সামনা সামনি এরা অস্বীকার যাবে, মিথ্যা বলবে, নিস্পাপ সাজবে। আবার অনেক সময় সরাসরি না বলে অন্তরে চেপে রেখে মুখে বলে আমরা নির্দোষ, পক্ষেই আছি। আবার এমনও হয়- ভুল ধরলে তা স্বীকার করলেও অন্তর থেকে তা মেনে নেয় না, অহংকারের কারণে। অভিনয় করার মাধ্যমে তারা পলায়নপর হয় এবং দূরে যেয়ে আবার তাদের আসল রূপ প্রকাশ করে। এদের দিনরাতে কাজই এরকম দুই নাম্বারি করা। আর তাদের অন্তরজ্বালা হতে থাকে সব সময়। শয়তান এদের সব সময়ের সাথী হয়ে যায়।
=> মুনাফিকদের জন্য কোনও ক্ষমা নেই
63:6 নং আয়াহ : আপনি তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করুন বা ক্ষমাপ্রার্থনা না করুন, তাদের জন্য উভয়ই সমান। আল্লাহ কখনও তাদেরকে ক্ষমা করবেন না [9:80, 9:84]। নিশ্চয়ই আল্লাহ ফাসিক সম্প্রদায়কে পথ দেখান না [2:99, 2:26]।
* যারা মুনাফিকি করে, তারা মিথ্যা বলার সাথে বিভিন্ন পাপ কাজ তাদের দ্বারা সমাজে প্রকাশ হয়, যেমন- গালিগালাজ করা যা ফাসেকি। এছাড়া- প্রকাশ্যে বড় গুনাহ (কবিরা গুনাহ) করা, আল্লাহর নিষিদ্ধ কাজ অভ্যাসবশত করা, নিয়মিত মিথ্যা বলা, নেশা করা, সুদ খাওয়া, চুরি করা, ব্যভিচার করা, ওয়াদা ভঙ্গ করা, ওজনে কম দেওয়া ও প্রতারণা করা, এবং আল্লাহর উপর ভরসা না করে কুসংস্কার ও শিরকে লিপ্ত হওয়া, বিড়ি-সিগারেট খাওয়া, টাখনুর নীচে কাপড় পরে ঘোরা, দাড়ি চেঁছে ফেলা ছোট করা, মানুষের ছবি বিকৃতি করে অঙ্কন, কোন জরুরী কারণ ছাড়াই ছবি তোলা ও সংরক্ষন করা ইত্যাদি কাজ হারাম কাজ প্রকাশ্যে করলে তাদেরকেই ফাসেক বলা হয়। আর মুনাফিকদের মধ্যে ফাসেকি পাওয়া যাবে।
=> মুনাফিকরা মাদীনাহ রাষ্ট্রকে দিতে চাইতেন না
63:7 নং আয়াহ : তারা বলে- “আল্লাহর রসূলের কাছে যা (রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব ও সঙ্গী-সাথী) আছে, সে জন্য খরচ/দান দিও না। যতক্ষণ না তারা (মুসলিমরা) ছিন্নভিন্ন/ ধ্বংস হয়ে যায়” [59:11-14]। অথচ মহাবিশ্ব ও পৃথিবীর ধনসম্পদ সমূহের উৎস আল্লাহই। কিন্তু মুনাফিকরা তা বোঝে না।
মুহাজির জাহজাহ ইবনে সা'দ আল-গিফারী ও আনসারী সিনান ইবনে ওবরাহর ঝগড়ার সময় আবদুল্লাহ ইবনে উবাই-ই এ কথা বলেছিল। আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে এর জওয়াব দেওয়া হয়েছে যে, নির্বোধরা মনে করে মুহাজিরগণ তাদের দান খয়রাতের মুখাপেক্ষী এবং ওরাই তাদের অন্ন যোগায়। অথচ সমগ্র নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের ধন-ভাণ্ডার আল্লাহর হাতে। তিনি ইচ্ছা করলে মুহাজিরগণকে তোমাদের কোন সাহায্য ছাড়াই সবকিছু দিতে পারেন। ইবনে উবাইয়ের এরূপ মনে করা নির্বুদ্ধিতা ও বোকামীর পরিচায়ক। তাই আল্লাহ্ তা'আলা এ স্থলে “তারা বোঝেনা” বলে বুঝিয়েছেন যে, যে এরূপ মনে করে, সে বেওকুফ ও নির্বোধ। [দেখুন: কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর]
এক যুদ্ধে (যাকে ঐতিহাসিকগণ ‘মুরাইসী’ অথবা ‘বানী মুসত্বালাক’ বলেন) একজন মুহাজির এবং একজন আনসার সাহাবীর মাঝে ঝগড়া বেধে যায়। এটাকে কেন্দ্র করে আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই (মুনাফিক) আনসারদেরকে বলল যে, ‘তোমরা মুহাজিরদেরকে সাহায্য করেছ এবং তাঁদেরকে নিজেদের সাথে রেখেছ। এখন দেখ তার ফল কি সামনে আসছে। অর্থাৎ, তোমাদেরই খেয়ে তোমাদেরকেই দাঁত দেখাচ্ছে! (তোমরা আসলে দুধ-কলা দিয়ে কাল সাপ পুষছ!) আর এর চিকিৎসা হল এই যে, তাঁদের জন্য ব্যয় করা বন্ধ করে দাও। দেখবে তাঁরা আপনা-আপনিই কেটে পড়বে।’ সে (আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই) এ কথাও বলেছিল যে, ‘আমরা (যারা সম্মানী লোক তারা) এই হীন (মুহাজির) লোকগুলোকে মদীনা থেকে বহিষ্কার করে দেব।’ যায়েদ ইবনে আরক্বাম (রাঃ) তার এই জঘন্য কথাবার্তা শুনে নেন এবং রসূল (সাঃ)-কে তা জানিয়ে দেন। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইকে ডেকে জিজ্ঞেস করলে সে পরিষ্কার অস্বীকার করে দেয়। ফলে যায়েদ ইবনে আরক্বাম (রাঃ) চরমভাবে ব্যথিত হন। মহান আল্লাহ যায়েদ ইবনে আরক্বাম (রাঃ)-এর সত্যবাদিতা প্রমাণের জন্য সূরা মুনাফিকুন অবতীর্ণ করেন এবং এর দ্বারা ইবনে উবায়ের নোংরা চরিত্রের মুখোশ পূর্ণরূপে খুলে দেন। (বুখারী, সূরা মুনাফিকূনের তাফসীর পরিচ্ছেদ)
=> মাদীনাহ থেকে মুসলিমদের বের করার চক্রান্ত
63:8 নং আয়াহ : তারা বলে- “যদি আমরা মাদীনাহ তে ফিরে যেতে পারি, তাহলে সম্মানিতরা (১) সম্মানহীনদের সেখান থেকে বের করে দেবে”। অথচ সম্মান আল্লাহর, তার রসূলের ও মূমীনদের। কিন্তু মুনাফিকরা [59:12-14] তা জানে না।
১. এ কথা বলেছিল মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ ইবনু উবাই। সে নিজেকে ও তার সঙ্গীদেরকে সম্মানিত এবং নাবী (সা) ও তার সঙ্গীদেরকে সম্মানহীন বলেছিলেন। এখানে সে নিজের ও তার সঙ্গীদের সহ নাবী (সা) ও তার সঙ্গীদের নাম উচ্চারণ এজন্য করে নি যে, যদি তা নাবী (সা) কে কেউ জানিয়ে দেয়! কিন্তু তবুও যায়েদ ইবনু আরকাম (রা) তার এ কথা শুনে নেন এবং নাবী (সা) কে জানিয়ে দেন।
=> ধনসম্পদ ও সন্তান হতে সাবধান
63:9 নং আয়াহ : হে সত্য স্বীকার করা সম্মানিত মানুষজন, তোমাদের ধনসম্পদ সমূহ ও তোমাদের সন্তান সমূহ তোমাদেরকে আল্লাহর বিধান থেকে উদাসীন না করে দেয় [3:14]। (যদি উদাসীন হয়) ওরা তারাই, যারা ক্ষতিগ্রস্ত।
এখানে আল্লাহ্ তা'আলা খাঁটি মুমিনদেরকে সম্বোধন করে সতর্ক করছেন যে, তোমরা মুনাফিকদের ন্যায় দুনিয়ার মহব্বতে মগ্ন হয়ে যেয়ো না। যেসব বিষয় মানুষকে দুনিয়াতে আল্লাহ থেকে গাফেল করে, তন্মধ্যে দুটি সর্ববৃহৎ-ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি। তাই এই দুটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। নতুবা দুনিয়ার যাবতীয় ভোগ-সম্ভারই উদ্দেশ্য। আয়াতের সারমর্ম এই যে, ধনসম্পদ ও সন্তানসন্ততির মহব্বত সর্বাবস্থায় নিন্দনীয় নয়। কিন্তু সর্বদা এই সীমানার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এসব বস্তু যেন মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে দেয়। এখানে ‘আল্লাহর স্মরণের’ অর্থ কোন কোন তফসীরবিদের মতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, কারও মতে হজ ও যাকাত এবং কারও মতে কুরআন। হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ বলেনঃ স্মরণের অর্থ এখানে যাবতীয় আনুগত্য ও ইবাদত। [কুরতুবী, ফাতহুল কাদীর]
অর্থাৎ, মাল এবং সন্তান-সন্ততির ভালবাসা তোমাদের উপর এমনভাবে প্রভাব বিস্তার না করে ফেলে যে, তোমরা আল্লাহ কর্তৃক আরোপিত যাবতীয় বিধি-বিধান ও ফরয কার্যাবলী থেকে উদাসীন হয়ে যাও এবং তাঁরই নির্ধারিত হালাল ও হারামের সীমালংঘনের ব্যাপারেও একেবারে বেপরোয়া হয়ে যাও। মুনাফিকদের আলোচনার পরে পরেই এই সতর্কতার উদ্দেশ্য হল, এ কথা জানিয়ে দেওয়া যে, এটা হল মুনাফিকদের চরিত্র যা মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ঈমানদারদের চরিত্র এর বিপরীত। আর তা হল, তাঁরা সব সময় আল্লাহকে স্মরণে রাখেন। অর্থাৎ, তাঁর যাবতীয় বিধি-বিধান ও অত্যাবশ্যকীয় কার্যাবলীর প্রতি যত্ন নেন এবং হালাল ও হারামের মধ্যে পার্থক্য খেয়াল করেন।
=> দান মানুষকে স্বলিহীন বানিয়ে দেয়
63:10 নং আয়াহ : আমরা তোমাদেরকে রিযিক হিসাবে যা দিয়েছি, তোমরা তা হতে দান কর। তোমাদের মৃত্যু এসে যাওয়ার পূর্বেই। নয়ত সে বলবে- “হে আমার প্রভু, যদি আপনি কিছু কাল অবকাশ দিতেন, তাহলে আমি সাদকা/ দান করতাম এবং স্বালিহীন/ পূণ্যবানদের একজন [23:99-100] হয়ে হতাম”।
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করল, কোন সদকায় সর্বাধিক সওয়াব পাওয়া যায়? তিনি বললেনঃ “যে সদকা সুস্থ অবস্থায় এবং ভবিষ্যতের দিকে লক্ষ্য করে- অর্থ ব্যয় করে ফেললে নিজেই দরিদ্র হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকা অবস্থায় করা হয়।” তিনি আরও বললেনঃ “আল্লাহর পথে ব্যয় করাকে সেই সময় পর্যন্ত বিলম্বিত করো না। যখন আত্মা তোমার কণ্ঠনালীতে এসে যায় এবং তুমি মরতে থাক আর বলঃ এই পরিমাণ অর্থ অমুককে দিয়ে দাও, এই পরিমাণ অর্থ অমুক কাজে ব্যয় করা।” [বুখারী: ১৩৫৩, মুসলিম: ১০৩২, মুসনাদে আহমাদ: ১/৩৯৬]
=> নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অবকাশ দেওয়া হয়
63:11 নং আয়াহ : অথচ আল্লাহ কাউকে তার নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার পর অবকাশ দেন না। আর আল্লাহ সেই সমস্ত বিষয়ে জ্ঞান রাখেন, যে সমস্ত কর্ম তোমরা করছো।
# যেন কেউ বলতে না পারে যে, আমাকে অবকাশ দেওয়া হয় নি কেন?? আমি তো নিজেকে সংশোধন করতাম। তাই আল্লাহ নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অবকাশ দেন।
=> অতঃপর, খাতির জমানোর জন্য মুনাফিক ও ফাসিকদের সঙ্গে উঠাবসা করা
দুর্বল ঈমানের অনেক মানুষই পাপাচারী ও দুষ্কৃতিকারীদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় উঠাবসা করে, যোগাযোগ রাখে। এমনকি আল্লাহর দীন ও তার অনুসারীদের প্রতি যারা অহরহ ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে, তাদের সঙ্গেও তারা দহরম-মহরম সম্পর্কে রেখে চলে, তাদের মোসাহেবী করে। অথচ এ কাজ যে হারাম তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَإِذَا رَأَيۡتَ ٱلَّذِينَ يَخُوضُونَ فِيٓ ءَايَٰتِنَا فَأَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ حَتَّىٰ يَخُوضُواْ فِي حَدِيثٍ غَيۡرِهِۦۚ وَإِمَّا يُنسِيَنَّكَ ٱلشَّيۡطَٰنُ فَلَا تَقۡعُدۡ بَعۡدَ ٱلذِّكۡرَىٰ مَعَ ٱلۡقَوۡمِ ٱلظَّٰلِمِينَ ٦٨ ﴾ [الانعام: ٦٨]
“যখন আপনি তাদেরকে আমার কোনো আয়াত বা বিধান সম্পর্কে উপহাসমূলক আলোচনায় মগ্ন দেখতে পান তখন আপনি তাদের থেকে সরে থাকুন, যে পর্যন্ত না তারা অন্য প্রসঙ্গে লিপ্ত হয়। আর যদি শয়তান আপনাকে ভূলিয়ে দেয়, তাহলে স্মরণে আসার পর যালিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে আপনি আর বসবেন না”। [সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ৬৮]
সুতরাং ফাসিক-মুনাফিকদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক যত গভীরই হউক কিংবা তাদের সাথে সমাজ-সামাজিকতায় যতই মজা লাগুক এবং তাদের কণ্ঠ যতই মধুর হউক তাদের সঙ্গে উঠাবসা করা বৈধ নয়।
হ্যাঁ, যে ব্যক্তি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান করে, তাদের বাতিল আকীদার প্রতিবাদ করে কিংবা তাদেরকে অন্যায় থেকে নিষেধ করার জন্য তাদের নিকট গমনাগমন করে সে উক্ত নির্দেশের আওতাভুক্ত হবে না। স্বেচ্ছায়, খুশীমনে ও কোনো কিছু না বলে নীরবে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে রাখাতেই সব সমস্যা। অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿فَإِن تَرۡضَوۡاْ عَنۡهُمۡ فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يَرۡضَىٰ عَنِ ٱلۡقَوۡمِ ٱلۡفَٰسِقِينَ ٩٦﴾ [التوبة: ٩٦]
“যদি তোমরা তাদের প্রতি সন্তুষ্টও থাক, তবে (জেনে রেখ) আল্লাহ ফাসিক বা দৃষ্কৃতিকারী সম্প্রদায়ের প্রতি সন্তুষ্ট নন”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৯৬] ... See MoreSee Less
5 CommentsComment on Facebook
@followers
যে ব্যাক্তি হাদীস লিখছে সেই ব্যাক্তি নিজে বলতেছে, ভাই এই সব হাদীস আমি লিখেছি, আমি লিখেছি, তারপরও যেই গাদারা বিশ্বাস করবে না ,তাদের জাহান্নাম ছাড়া আর কি আশা করেন?? এরা যে সমাজে ফিতনা নিয়ে আসতেছে আপনার কল্পনার বাহিরে। জুয়েল মাহমুদ এতটাই কাযযাব যে, তার নামটা পর্যন্ত জুয়েল মাহমুদ নয়। বরং, জুয়েল আলী। তার ব্যাপারে কোনো হাদীস নেই। বরং, সে জ্বীনদের সহায়তায় হাদীস Fabricate করে সবাইকে ধোঁকা দিত ‼️ জুয়েল আলী গাযওয়াতুল হিন্দের কোনো নেতা নয়। বরং, জুয়েল আলী হচ্ছে একটা ফাসিক্ব, জালিম, যিন্দীক, মুর্তাদ, কাফির, মুশরিক এবং মুনাফিক্ব। তার কাছে জিব্রাঈল কোনো ইলহাম নিয়ে আসেন না। বরং, নিকৃষ্ট জ্বীন আসে নিকৃষ্ট মিথ্যা কথা নিয়ে। জুয়েল আলীর চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র নয়। বরং, সে সারারাত যিনা করে। এমনকি এই ল্যাংড়াকে আরেকজন ধরে না তুললে সে খাড়া হতে না পারলেও, এই হালতেই সে খুঁড়িয়ে-খুঁড়িয়ে হামাগুড়ি দিয়ে শরীরের সকল শক্তি একত্রিত করে নিয়ে রামাদ্বান মাসে আরেকজনের স্ত্রীর সাথে যিনায় লিপ্ত হয়েছে সেই মেয়েকে এই কথা বুঝিয়ে যে, তার সাথে যিনা করলে নাকি কোনো গুনাহ হবে না ‼️ যদিও তার গুনাহের সংখ্যা গণনা করা কষ্ট, তবুও শুধু এই ১টি পাপের জন্যই ইসলামী শরীয়তে তার শাস্তি রজম তথা পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ড। জুয়েল আলীর মতে তার পুনর্জন্ম হয়েছে। আগের জন্মে নাকি সে মিকাইয়া নামে একজন নবী ছিল। জুয়েল আলীর মতে ক্ববরের ৪র্থ প্রশ্ন হচ্ছে, তুমি দুনিয়াতে জুয়েল আলীকে পাত্তা দিতে কিনা। যদিও এই বেশ্যা-কুত্তি-ছিনাল-যিনাকারীর নামই শুনেনি কেউ তেমন-একটা। তার প্রিয় বন্ধু শামীম বিন মুখলেসুর রহমানকে (যাকে সে সাহেবে ক্বিরাণ বানিয়েছিল) আল্লাহ ﷻ দয়া করে হিদায়াত দিয়ে পথভ্রষ্ট জুয়েলের ফিতনায় পতিত হওয়া থেকে হিফাযাত করেছেন। শামীম তাকে ভন্ড বলে দিয়েছেন। এতে উম্মাহর সামনে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, তার বেস্ট ফ্রেন্ড শামীমকে সাহেবে ক্বিরাণ বানিয়ে সে যেসব হাদীস Fabricate করেছিল, সেগুলো সব জাল। যেখানে প্রতিদিন সে আল্লাহর নামে মিথ্যাচার করে, সেখানে রাসূলুল্লাহর ﷺ নামে মিথ্যাচার আর এমন কি। তার সকল কাজের ভিত্তিই মিথ্যার উপর। এই বেজন্মা কুত্তিকে নিয়ে লেখালেখি করে আমি লজ্জিত। আল্লাহর কাছে মাফ চেয়েছি এবং তাওবাহ করেছি। আপনারা যারা এই নিকৃষ্ট ভন্ডকে বিশ্বাস করেন তার নেতৃত্বে হিন্দুস্তান বিজয়ের স্বপ্নে বিভোর, তারাও সবাই তাওবাহ করুন। আশা করি আল্লাহ ﷻ তাকে শীঘ্রই ধ্বংস করে দিবেন এবং সেই ধ্বংসকে করবেন বাংলাদেশের সকল মুসলিমের জন্য নিদর্শন।
www.facebook.com/share/p/1BxB3o8qzj/দেখুন জুয়েলমাহমুদ এর মিথ্যা ইলহাম
ভারত-বাংলাদেশ যে উত্তেজনা চলছে, তার দিকে নজর রাখা খুবই জরুরী।
বর্তমান বিশ্বের খবরাখবর আমরা এই পেজে পোস্ট করি না। আপনারা সেজন্য আমাদের নিউজ পেজ ও চ্যানেলে যুক্ত থাকবেন, সেখানে প্রতিমুহূর্তের খবর আপডেট হয়। ফেসবুক পেজ ও টেলিগ্রাম চ্যানেল লিঙ্ক কমেন্টে দিলাম।
(পোস্ট এ লিঙ্ক দিলে পোস্ট রিচ হয় না, তাই কমেন্টে দেওয়া হলো) ... See MoreSee Less
6 CommentsComment on Facebook
@followers
ফেসবুক পেজ লিঙ্ক- www.facebook.com/UmmaherBarta টেলিগ্রাম চ্যানেল- t.me/UmmaherBarta2
মনে হচচে গাওজাতুল হিনদর পদধ্বনি





